• বুধবার   ২৯ জুন ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১৫ ১৪২৯

  • || ২৯ জ্বিলকদ ১৪৪৩

চার ধরনের আটার রুটি শীতে গরম রাখে শরীর

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ১৯ ডিসেম্বর ২০২১  

কথায় আছে, শীতকালে রোগ বাড়ে। তাই এই সময়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোটাই বড় চ্যালেঞ্জ। শীতকালে গম ছাড়া অন্যান্য শস্যের আটার রুটিও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে। যা স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত উপযোগী। আর তাতে গরম থাকবে শরীরও।গম ছাড়াও কয়েকটি আটার কথা উল্লেখ করা হলো যা অত্যন্ত স্বাস্থ্যোপযোগী-

জোয়ারের আটা

জোয়ার আমাদের দেশের এক সময়ের অতি পরিচিত এক ফসল ছিলো। মানুষ জেয়ারের আটার তৈরি রুটি খেতো গমের আটার বিকল্প হিসেবে। আসলে সাদা আটা এবং ময়দার সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবেই সারা পৃথিবীতে পরিচিত জোয়ারের আটা। পাচন তন্ত্রের জন্য অধিক উপকারী এই আটা। পাশাপাশি আমাদের শরীর গরম রাখতেও সাহায্য করে। রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে উপযোগী জোয়ারের আটা।

বাজরার আটা

বাজরার আটা গ্লুটেন মুক্ত হয়। তাই কারো গমের আটায় অ্যালার্জি থাকলে বাজরার আটা খেতে পারেন। ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, আয়রন, ফাইবার ও পটাশিয়ামে সমৃদ্ধ এই আটা। শীতকালে বাজরার আটার রুটি অধিক স্বাস্থ্যোপযোগী। এটি শরীর গরম রাখে।

ঢেমশি বা কুট্টুর আটা

ঢেমশি নামটি নতুন মনে হলেও এটি কিন্তু আমাদের ঐতিহ্যবাহী আদি ফসলের মধ্যে একটি। এতে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন বি২, রাইবোফ্লোবিন ও নিয়াসিন থাকে। এই আটার রুটি প্রোটিন, ফ্যাট, কার্বস, ফাইবার, পটাশিয়াম, ফসফরাস, ক্যালশিয়াম ও আয়রনের উল্লেখযোগ্য উৎস। শীতকালে এই আটা শরীর গরম রাখতে সাহায্য করে।

রাগীর আটা

রাগীর আটা উচ্চ আয়রণ ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার। বাদামী রঙের এই আটাটি খুব তাড়াতাড়ি রান্না করা সম্ভব। ক্যালশিয়ামে সমৃদ্ধ রাগীকে অধিকাংশ সময় মাল্টিগ্রেন আটার সঙ্গে মেশানো হয়। এই আটায় গমের আাটার তুলনায় চিনির মাত্রা অনেক কম।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ