সংগৃহীত
পোশাক শিল্প কারখানাগুলোতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ ও গণভোটকে কেন্দ্র করে ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। সোমবার পোশাক কারখানার কর্মদিবস শেষে শ্রমিকরা গ্রামে ফিরতে শুরু করেছেন। এতে সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাইয়ের তিনটি সড়কে গাড়ির ধীরগতি দেখা দিয়েছে।
সরেজমিনে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের হেমায়েতপুর, উল্লাইল, গেন্ডা, সাভার বাসস্ট্যান্ড, নবীনগর-চন্দ্রা সড়কের পল্লী বিদ্যুৎ, বাইপাইল, ডিইপিজেড, বলিভদ্র এবং আব্দুল্লাহপুর-ডিইপিজেড সড়কের জামগড়া, সরকার মাকের্ট ও আশুলিয়ায় কয়েক হাজার পোশাক শ্রমিকের উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। এসময় ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক, নবীনগর-চন্দ্রা সড়ক ও আব্দুল্লাহপুর-ডিইপিজেড সড়কে যাত্রীর তুলনায় গণপরিবহন সংকট ও সড়কগুলোতে গাড়ির ধীরগতি দেখা দেয়।
পোশাক শ্রমিক আফরোজা আক্তার ঢাকা পোস্টকে বলেন, আজ (সোমবার) কাজ শেষে কারখানা ছুটি দিয়েছে। রাতে রংপুর যাওয়ার জন্য উল্লাইল বাসস্ট্যান্ডে এসেছি। কিন্তু যাত্রী অনেক বেশি থাকায় গাড়ি পাওয়া যাচ্ছে না। তবে ২/১টি গাড়ির সিট পাওয়া গেলেও ভাড়া বেশি চাওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অপরদিকে নবীনগর বাসস্ট্যান্ডে পরিবার নিয়ে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন সবুজ মিয়া। তিনি বলেন, আমাদের কাছে অনেক খুশি লাগছে। কারণ বেশ কয়েকদিনের ছুটি পেয়েছি। তাই গ্রামের বাড়ি ফরিদপুর যাব। কিন্তু একসঙ্গে কারখানা সব ছুটি হওয়ায় বাসের জন্য ভিড় করছে যাত্রীরা। আমি প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে বাসের জন্য অপেক্ষা করছি।
ঠিকানা বাসের চালক আব্দুর রশিদ বলেন, হঠাৎ যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। হেমায়েতপুর, নবীনগর, বাইপাইলসহ কয়েকটি স্থানে যানজট সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান তিনি।
সাভার হাইওয়ে থানার ইনচার্জ শেখ শাহজাহান ঢাকা পোস্টকে বলেন, পোশাক কারখানাগুলো ছুটি হওয়ায় যাত্রীদের চাপ বেড়েছে এবং সেইসঙ্গে বেড়েছে গণপরিবহন সংকট। এতে সড়কে ধীরগতির সৃষ্টি হয়েছে কিন্তু কোথাও যানজট নেই বলে জানান তিনি।
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট










