সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে বগুড়া-৬ আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ প্রায় দেড় দশক বিদেশে অবস্থানরত এই নেতার হলফনামা থেকে তার বর্তমান সম্পদের একটি চিত্র পাওয়া গেছে। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, তারেক রহমানের বিভিন্ন কোম্পানিতে শেয়ার ও ব্যাংক আমানত রয়েছে।
তারেক রহমানের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণ করে তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া গেছে। হলফনামায় তারেক রহমান তার অস্থাবর সম্পদের যে তালিকা দিয়েছেন, তাতে তার প্রধান সম্পদ হলো শেয়ার ও ব্যাংক আমানত।
নগদ ও ব্যাংক জমা : ৩১ লাখ ৫৮৪২৮ টাকা।
শেয়ার ও বন্ড : শেয়ার, বন্ড ও সঞ্চয়পত্র মিলিয়ে ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৪ টাকা রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন কোম্পানিতে (তালিকাভুক্ত ও অ-তালিকাভুক্ত) ৪৫ লাখ টাকা ও ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার শেয়ার রয়েছে এবং শেয়ারে রয়েছে ৫ লাখ টাকা।
এফডিআর ও সঞ্চয় : এফডিআর-এ ৯০ লাখ ২৪ হাজার ৩০৭ টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগ হিসেবে ২০ হাজার টাকা এবং অন্যান্য আমানতে ১ লাখ টাকা দেখানো হয়েছে।
অলঙ্কার ও আসবাবপত্র : স্বর্ণ ও মূল্যবান ধাতুর গহনা ২ হাজার ৯৫০ টাকা এবং আসবাবপত্রের মূল্য ১ লাখ ৭৯ হাজার ৫০০ টাকা।
তার স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে কৃষি ও অকৃষি জমি এবং আবাসিক ভবন।
অকৃষি জমি : ২.১ একর ও ১.৪ শতাংশ জমি, যার অর্জনকালীন মূল্য ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। সেই সঙ্গে ২.৯ শতাংশ জমির ওপর আবাসিক/বাণিজ্যিক ভবন রয়েছে। তবে এটি 'উপহার' হিসেবে পাওয়ায় এর আর্থিক মূল্য অজানা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া তার স্ত্রীর নামে যৌথ মালিকানায় ১১১.২৫ শতাংশ জমি, যার মূল্য অজানা। এছাড়া যৌথ মালিকানায় ৮০০ বর্গফুটের দোতলা ভবন রয়েছে। যেটির মূল্যও অজানা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
হলফনামায় তারেক রহমান তার বিরুদ্ধে অতীতের অসংখ্য মামলা থাকলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তিনি আদালত থেকে খালাস পেয়েছেন অথবা মামলাগুলো খারিজ হয়ে গেছে বলে উল্লেখ করেছেন। বর্তমানে তার জানামতে কোনো কার্যকর মামলা বিদ্যমান নেই বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট










