বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ২৫ পৌষ ১৪৩২

সিরাজগঞ্জ-রায়গঞ্জ সড়কের বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে

সিরাজগঞ্জ-রায়গঞ্জ সড়কের বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে

সংগৃহীত

বিভিন্ন স্থানে গর্ত ও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়ে সিরাজগঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক সড়কগুলোর মধ্যে অন্যতম সিরাজগঞ্জ-রায়গঞ্জ সড়কের অবস্থা এখন বেহাল। জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়কের এমন অবস্থা হলেও কর্তৃপক্ষ নজর না দেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সড়কটি সিরাজগঞ্জ-বগুড়া পুরাতন সড়ক নামে পরিচিত। তবে ৮০’র দশক থেকে এটি সিরাজগঞ্জ-রায়গঞ্জ সড়ক নামে পরিচিত হয়ে ওঠে। এই সড়ক দিয়ে সিরাজগঞ্জ সদর ও রায়গঞ্জ উপজেলার অর্ধশতাধিক গ্রামের মানুষ ও বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে।

জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটির রায়গঞ্জ উপজেলার চকনুর বাজার ও পাঙ্গাসী এবং সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার আলমপুরসহ বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে খানাখন্দ সৃষ্টি হয়ে আছে।

স্থানীয়রা বলছেন, সিরাজগঞ্জ ও রায়গঞ্জে যোগাযোগের একমাত্র পথ এই আঞ্চলিক সড়ক। সড়কটি দিয়ে কৃষিপণ্য সরবরাহ, শিক্ষার্থী ও হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে। অথচ খানাখন্দ ও বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় ১ ঘণ্টার রাস্তায় পেরোতে বর্তমানে প্রায় ২ ঘণ্টা লেগে যায়। সড়কের নিচে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে সড়কের ওপর থক থক করে কাদা। ছবি: সংগৃহীত

তারা বলেন, কয়েক মাস আগে সড়কটির বিভিন্ন স্থানের খানাখন্দ মেরামত করা হলেও তা খুব বেশি কাজে আসেনি। কিছুদিনের মধ্যেই আরও খানাখন্দ ও গর্ত দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে চকনুর বাজার এলাকায় সড়কের ধসে যাওয়া স্থানে গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এ গর্তের নিচে বালুর বস্তা, ইট এবং পাথর ফেলে রাস্তা মেরামত করা হলেও তা পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত হয়নি। ইতোমধ্যে অনেক ছোটোখাটো যানবাহন ওই গর্তে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, সড়কের নিচে ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও সড়কের পুরোপুরি সংস্কার না করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। জনদুর্ভোগ এড়াতে তাই সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইমরান ফারহান সুমেল বলেন, সড়কটির বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণে ইতোমধ্যে সড়কটি পরিদর্শন করা হয়েছে। জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি দুই লেনে উন্নীত করতে একনেকে ২৮০ কোটি টাকার একটি প্রকল্পও এরই মধ্যে অনুমোদন হয়েছে। এবার সরকারি বিধি অনুসারে দরপত্র আহ্বান করা হবে। দরপত্রে নির্বাচিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রকল্পের কাজ শুরু করবে বলে জানান তিনি।

সর্বশেষ: