• শনিবার   ২৬ নভেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১২ ১৪২৯

  • || ০২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

চাহিদার তুঙ্গে নীলফামারীর আখ, বিঘাপ্রতি আয় ৬০ হাজার টাকা!

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ৩০ জুলাই ২০২২  

আখ একটি রসালো জাতের মিষ্টি খাবার। বাংলাদেশে আখের রসের চাহিদা অনেক। নীলফামারীর আখ খুব মিষ্টি হয়। এখানকার মাটি আখ চাষের জন্য খুব উপযোগী। এ জেলার আখের চাহিদা পূরন করে বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ হয়। এবছর নীলফামারীতে ১৬০ হেক্টর জমিতে আখ চাষ করা হয়েছে। আখের বাজার মূল্য ভালো পেয়ে খুশি আখচাষিরা।

নীলফামারী সদর উপজেলার লক্ষিচাপ গ্রামের চাষি চন্দ্র রায় বলেন, উঁচু ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা আছে এমন জমিতে আখের ভালো ফলন হয়। নীলফামারীতে কালো, সাদা, লাল, গেন্ডারি ও হাইব্রিড জাতের আখের চাষ হয়। এখন আখ উত্তোলন শুরু হয়েছে। আখের বাজার দর ভালো। তিনি মাঠেই পাইকারি দামে বিক্রি করতে পেরে খুশি।

কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের কৃষক অমেষ চন্দ্র বলেন, আখ চারা রোপনের ৮-১০ মাস পর বাজারজাতকরণের উপযোগী হয়। ১ বিঘা জমিতে প্রায় ৬-৭ হাজার পিস আখের ফলন হয়। বিভিন্ন আকারের আখ প্রতি পিস ৯-১০ টাকায় বিক্রি হয়। বিঘা প্রতি উৎপাদন খরচ ১০-১২ হাজার টাকা। উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে প্রায় ৫০-৬০ হাজার টাকা আয় হয়। স্থানীয় ও বিভিন্ন জেলার পাইকাররা এসে এখানকার আখ কিনে নিয়ে যায়।

লক্ষিচাপ ইউনিয়নের কৃষক নবীন ইসলাম জানান, আখ বিক্রির পাশাপাশি আখের গোড়া, কচি পাতা পশুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আখের শুকনো পাতা জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। এসব আখের রস দিয়ে গুড় ও চিনি তৈরী হয়না। শুধু চিবিয়ে খাওয়ার চাহিদা থেকে এ আখ চাষ করা হয়।

পলাশবাড়ি বাজারের পাইকারী বিক্রতা লোকমান হোসেন বলেন, পরিবহন খরচ সহ ১০০ পিস আখ ১৫০০ টাকায় কেনা হয়। যার বিক্রি দাম ৩-৪ হাজার টাকা।

নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, নীলফামারীর মাটি আখ চাষের উপযোগী হওয়ায় এছর ১৬০ হেক্টর জমিতে আখ চাষ হয়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আখের ফলন ভালো হয়েছে। ন্যায্য দাম পাওয়ায় কৃষকেরা লাভবান হয়েছেন।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ