সংগৃহীত
চলছে ফিফা বিশ্বকাপের ক্ষণগণনা। আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডাতে চলবে ৪৮ দলের ফুটবল যুদ্ধ। আর বাকি ২৫ দিন। ফিফা প্রতিদিনের পরিসংখ্যানমূলক প্রতিবেদনের মাধ্যমে ক্ষণগণনা করছে।
দানিয়েল পাসারেলার ডাকনাম ‘এল গ্রান কাপিতান’, বাংলায় যার অর্থ মহান অধিনায়ক। আর্জেন্টিনার এই সেন্টার ব্যাক সর্বকনিষ্ঠ অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি জিতেছেন।
১৯৭৮ সালের ফাইনালে বুয়েন্স আয়ার্সের এস্তাদিও মনুমেন্তালে নেদারল্যান্ডসকে যখন আর্জেন্টিনা হারাল, সেদিন পাসারেলার বয়স ২৫ বছর ও ৩০ দিন। তার চেয়ে ৭৯ দিন বেশি বয়সী ববি মুরের নেতৃত্বে ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ড শিরোপা জেতে।
‘এল গ্রান কাপিতান’ ট্রফি জেতার পর সেটি নিয়ে এতটাই আচ্ছন্ন ছিলেন যে, কাউকে ছুঁতেও দেননি। মনুমেন্তালে বিজয় উৎসবে নতুন ট্রফি নিজের সন্তানের মতো করে আগলে রেখেছিলেন। তার সতীর্থ মারিও কেম্পেস সেই দিনের কথা স্মরণ করে বলেছেন, ‘সে ট্রফিটা এমনভাবে আঁকড়ে ধরে ছিল যে, কাউকে ধরতেই দিচ্ছিল না। সে সবসময় খেলে কনুই এদিক ওদিক নাড়িয়ে, যেন কেউ কাছে ঘেষতে না পারে। ট্রফি নিয়েও সে তেমন আচরণ করছিল, কেউ তার কাছ থেকে সেটি নিতে পারছিল না (হাসি)। আমিও তো একবারও ছুঁয়ে দেখতে পারিনি।’
পাসারেলা (১.৭৩ মি) ও লুইস গালভান (১.৭৪ মি) সবচেয়ে খাটো সেন্টারব্যাক জুটি হিসেবে বিশ্বকাপ জিতেছিলেন। নিজের পজিশনে খাটো খেলোয়াড় হওয়া সত্ত্বেও ফুটবল ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি হেড গোল করেছেন তিনি। আর্জেন্টিনার একমাত্র ফুটবলার হিসেবে এই ডিফেন্ডার দুটি বিশ্বকাপ জিতেছেন। ১৯৮৬ সালে ডিয়েগো ম্যারাডোনার নেতৃত্বে দ্বিতীয়বার ট্রফি ছুঁয়ে দেখেন তিনি।
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট













.webp)
