শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩০

গুগল ইন্টারভিউয়ে ফেল, অভিজ্ঞতা শোনালেন মাইক্রোসফটের প্রেসিডেন্ট

গুগল ইন্টারভিউয়ে ফেল, অভিজ্ঞতা শোনালেন মাইক্রোসফটের প্রেসিডেন্ট

সংগৃহীত

চাকরির ইন্টারভিউয়ে ফেল করার অভিজ্ঞতা হয়নি, এমন ব্যক্তি খুব কমই রয়েছে। খুব সফল ব্যক্তিরাও এই সমস্যায় বারবার পড়েছেন। মাইক্রোসফটের ভাইস প্রেসিডেন্ট অমিত ফুলেও তার ব্যতিক্রম নন।

সম্প্রতি তিনি তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। তরুণদের উৎসাহ দিতে নিজের লিংকডইন প্রোফাইলে একটি পোস্ট করেছেন তিনি। তাতেই তার চাকরি জীবনের অভিজ্ঞতা জানান তিনি।

পোস্টের শুরুতেই তিনি লেখেন তার প্রত্যাখ্যানের অভিজ্ঞতার কথা। মোট কতবার কোন কোন ইন্টারভিউতে সফল হননি, সেটাও উল্লেখ করেছেন তিনি। পোস্টের শুরুতেই তিনি লেখেন স্কুলজীবনের অভিজ্ঞতা। স্কুলে থাকাকালীন মাইক্রোসফটের সামার ইন্টার্নশিপের জন্য ইন্টারভিউ দেন অমিত। সেখানে রিজেক্টেড অর্থাৎ প্রত্যাখ্যাত হন।

গুগলে ইন্টারভিউ দিয়ে একবার দুবার নয়, ১৩ বার প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন তিনি। প্রতিবারই তিনি দুই রাউন্ডে ইন্টারভিউ দেন। এক বছর পর তাকে ফের ডাকা হয়েছিল। নারী ইন্টারভিউয়ার সেদিন অসুস্থ ছিলেন। তাই মাত্র আট মিনিট সেই ইন্টারভিউ চলে। তার এক সপ্তাহ পর ফের রিজেকশনের মেল পান তিনি।

শুধু গুগল নয়, ফেসবুকেও তিনি ইন্টারভিউ দিয়েছিলেন। তখনও এত বিখ্যাত হয়নি ফেসবুক। ইন্টারভিউয়ে তাকে বাতিল করে দেওয়া হয়। কারণ হিসেবে তাকে জানানো হয়, সমাজ সম্পর্কে তার যথেষ্ট অভিজ্ঞতা নেই। মাইক্রোসফটে যোগ দেওয়ার আগে তিনি এক্স-এ (সাবেক টুইটার) ইন্টারভিউ দেন। সেখানে সব ঠিকঠাক হওয়ার পর তাকে অন্য পদে কাজ করতে বলা হয়।

জীবনের এই অভিজ্ঞতার কথা বলে অমিত তরুণদের উৎসাহ দেন। তিনি বলেন জীবনে পাঁচটি কথা সবসময় মনে রাখতে। তাহলে প্রত্যাখ্যাত হলেও মানসিক জোর কমবে না।

  • প্রত্যাখ্যানটাই শেষ কথা নয়! কারণ একটা পথ বন্ধ হলেও অন্য পথ খোলা থাকে। এক্ষেত্রে নিজের উদাহরণ দেন অমিত।
  • তুমি একা নও। এমন অভিজ্ঞতা আরও অনেকেরই হয়েছে বলে জানান তিনি। অনেক সফল ব্যক্তিরও!
  • কখনও কখনও নিজের খামতি থাকতেই পারে! সেক্ষেত্রে নিজেকে নতুন করে তৈরি করতে হবে।
  • সবসময় তুমি ওই পদের জন্য যোগ্য নাও হতে পারো। হয়তো সত্যিই অন্য কেউ বেশি যোগ্য। ব্যাপারটা স্রেফ ভুলে গিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
  • অনেকসময় এই প্রত্যাখ্যান হওয়াটাই ভালো। যেমন এক্স-এ ইন্টারভিউয়ের ঘটনাটা তার পক্ষে একদিকে ভালো হয়েছে বলেই মনে করেন অমিত।

সূত্র: ডেইলি বাংলাদেশ