মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে নববর্ষ উদযাপনে আব্দুল আজিজ এমপি

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে নববর্ষ উদযাপনে আব্দুল আজিজ এমপি

সংগৃহীত

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে নানা আয়োজনে মধ্যে দিয়ে বাংলা শুভ নববর্ষ ১৪৩১ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।আজ ১ লা বৈশাখ রবিবার সকালে তাড়াশ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ১ লা বৈশাখের মুল আকর্ষণ ছিল বর্ণাঢ্য র‍্যালি। সকাল ১০ টায় তাড়াশ উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়ে পৌর এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুইচিং মং মারমা ।

এসো হে বৈশাখের আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখেন ৬৪ সিরাজগঞ্জ ৩
(রায়গঞ্জ – তাড়াশ)আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আব্দুল আজিজ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান মনি, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জিত কর্মকার, সহকারী কমিশনার ভূমি খালিদ হাসান,পৌর মেয়র আব্দুর রাজ্জাক, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন খান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রভাষক মর্জিনা ইসলাম,বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস রহমান, আরশেদ আলী, সাইদুর রহমান,তাড়াশ থানার ওসি নজরুল ইসলাম ,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আবদুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাম্মেল হক মাসুদ, খলিলুর রহমান, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোসাব্বির হোসেন খান, চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক, ময়নুল হক, মেহেদী হাসান ম্যাগনেট, হাবিবুল রহমান,তাড়াশ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ১ এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার নিরাপদ দাস,তাড়াশ থানার ওসি তদন্ত নুরে আলম,তাড়াশ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শামীউল হক শামীম, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইকবাল হাসান রুবেল, সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ, নারী কাউন্সিলর রোখসানা রুপা, কাউন্সিলর বাবু তালুকদার প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি আজিজ বলেন, বৈশাখের প্রথম দিনকে পহেলা বৈশাখ বলা হয়। বাঙালি সম্প্রদায় এই দিনটিকে বাংলা নববর্ষ হিসেবে পূর্ণ উদ্দীপনা ও আড়ম্বরের সঙ্গে উদযাপন করে। ১৪ এপ্রিল বাঙালি সম্প্রদায়ের মানুষ এই দিনটিকে উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপন করে।

পয়লা বৈশাখের উৎসবে বাংলায় সাংস্কৃতিক ঐক্য ও সংস্কৃতির এক অনন্য সঙ্গম দেখা যায়। এই দিনটি উদযাপনের জন্য, মাংস, মাছ, খাবার এবং সুস্বাদু মিষ্টি তৈরি, খাওয়া এবং পরিবেশন করা হয়।

পয়লা বৈশাখের দিনে বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এবং মানুষ একত্রিত হয়ে এই উৎসবটি আনন্দের সাথে উদযাপন করেন এবং একে অপরকে অভিনন্দন জানান।