• বৃহস্পতিবার   ৩০ জুন ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১৬ ১৪২৯

  • || ৩০ জ্বিলকদ ১৪৪৩

কামারখন্দে ব্রি উদ্ভাবিত ৮৯ ও ৯২ চাষে সাফল্য

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ২৪ মে ২০২২  

চালের উৎপাদন বাড়াতে উচ্চ ফলনশীল ব্রি-ধান ৮৯ ও ব্রি ৯২ দ্রুত সম্প্রসারণের কাজ চলছে। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) এর উদ্ভাবিত ব্রি-ধান ৮৯ ও ব্রি-ধান ৯২ চাষ করে চলতি বোরো মৌসুমে ভালো ফলন পেয়েছে সিরাজগঞ্জের কৃষকেরা।

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে অবস্থিত বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) এর আঞ্চলিক কার্যালয়। এ অঞ্চলের কৃষকদের মাঝে উচ্চফলনশীল ব্রি-ধান ৮৯ ও ব্রি-ধান ৯২ এর বিস্তার ছড়িয়ে দিতে বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

ব্রি-ধান ২৯ এর থেকে নতুন উদ্ভাবিত ব্রি-ধান ৮৯ ও ব্রি-ধান ৯২ দুর্যোগ সহনশীল ও বেশি ফলনশীল হওয়ায় কৃষকদেরকে ব্রি-ধান ২৯ চাষাবাদের জন্য নিরুৎসাহিত করছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) সিরাজগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রধান সাইদী রহমান জানিয়েছেন, ব্রি-ধান ২৯ এর হেক্টর প্রতি ফলন ৭-৮ টন। অন্যদিকে ব্রি ধান ৮৯ ও ব্রি ধান ৯২ ফলনপ্রতি হেক্টরে ৮.৪ হতে ৯.৩ টন পর্যন্ত ধান উৎপাদন হতে পারে। এছাড়াও ব্রি ধান ২৯ এর থেকে ব্রি ধান ৮৯ ও ব্রি ধান ৯২ এর জীবনকাল কম। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি। বড় কোনো দুর্যোগেও এ ধানের তেমন কোন ক্ষতি হয় না। সার ও সেচ কম লাগে। এর ফলে যে সকল বরেন্দ্র অঞ্চলে শুকনো মৌসুমে যেখানে পানির স্তর নিচে নেমে যায় সেখানে এটি চাষ করে সুফল পাওয়া যাবে।

জেলার কামারখন্দ উপজেলার কৃষক রফিকুল ভুইয়া ও আশরাফুল ইসলাম সহ অনেকেই জানিয়েছেন, তারা বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) এর সিরাজগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের পরামর্শে তাদের কাছ থেকে ব্রি-ধান ৮৯ ও ব্রি-ধান ৯২ এর বীজ সংগ্রহ করে প্রদর্শনী প্লট তৈরি করেছিলেন। ঘূর্ণিঝড় অশনি থেকে সৃষ্ট বৃষ্টিপাত ও বৈশাখী ঝড়ো হাওয়ার মধ্যেও কোন ক্ষতি হয়নি বরং ভালো ফলন পেয়েছে। এতে করে এই অঞ্চলের কৃষকেরা ব্রি ধান ৮৯ ও ব্রি ধান ৯২ এর বীজ সংগ্রহ ও চাষ আবাদের জন্য আগ্রহ দেখাচ্ছে বলে জানান তারা।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ