সংগৃহীত
রবিবার সচিবালয়ে শ্রম মন্ত্রণালয়ে পোশাকশ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণের জন্য ৬ সদস্যের মজুরি বোর্ড ঘোষণার পর তিনি এ আহ্বান জানান।
সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের নেতৃত্বে এই মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে।
মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণার পরও একটি মহল শ্রমিকদের রাস্তায় নামিয়েছে বলে অভিযোগ করেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
তিনি বলেন, শ্রমিকদের রাস্তায় নামার ক্ষেত্রে বাইরের ইন্ধন থাকতে পারে। ডিসেম্বর ঘিরে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির যে চেষ্টা চলছে, এর সঙ্গে এটার যোগসূত্র রয়েছে।
শ্রমমন্ত্রী জানান, শ্রম আইন অনুযায়ী ছয় সদস্যবিশিষ্ট নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করেছে সরকার। আজ থেকেই বোর্ডের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে আলোচনা করে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরির বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
বোর্ডের সদস্য হিসেবে রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ, মালিক পক্ষের প্রতিনিধি বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের যুগ্ম মহাসচিব আসিফ আইয়ুব, শ্রমিকদের প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আনোয়ার হোসেন, বিজিএমইএর পরিচালক এ বি এম শামসুদ্দিন ও বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বাবুল আক্তার।
মন্ত্রী শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঘোষিত বোর্ড দ্রুততম সময়ের মধ্যে নতুন মজুরি ঘোষণা করবে।
এর আগে, শনিবার রাজধানীর বিজয়নগরে শ্রম ভবনে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এবং বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিকেএমইএ) প্রতিনিধিদের সঙ্গে এ বিষয়ে বৈঠক হয়।
শ্রমিক নেতাদের উত্থাপিত দাবিগুলোর বিষয়ে তিনি বলেন, তাদের দেওয়া বক্তব্যগুলোর বিষয়ে অবশ্যই আমাদের কিছু করণীয় আছে। তারা যা যা বলেছেন, সেসব বিষয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে আমরা কাজ করব। আমাদের যেমন শিল্পকারখানা রক্ষা করতে হবে, পাশাপাশি শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি-দাওয়াও আদায় করতে হবে।
.jpg)







.webp)
.webp)
