সংগৃহীত
মজুরি বোর্ড গঠিত, তবু কেন সড়কে?
ন্যায্য মজুরির দাবি শ্রমিকের অধিকার—এ নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই। আর সেই দাবি পূরণের প্রক্রিয়া এখন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। মজুরি বোর্ড গঠিত হয়েছে। সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে, শ্রমিকদের ন্যায্য ও বাস্তবসম্মত অধিকার নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর।
তাহলে প্রশ্ন জাগে—সমাধানের টেবিল যখন প্রস্তুত, তখন সড়ক অবরোধের ডাক দিচ্ছে কারা? কার লাভ হচ্ছে এই অস্থিরতায়?
একটু ভেবে দেখুন। প্রতিটি অবরোধ, প্রতিটি ভাঙচুরের খবর পৌঁছে যায় বিদেশি ক্রেতাদের কাছে। অস্থির দেশে কেউ অর্ডার দিতে চায় না। অর্ডার কমলে কারখানার আয় কমে, বিনিয়োগকারীরা পিছিয়ে যান। আর তখন মজুরি বাড়ানো তো দূরের কথা, নিয়মিত বেতন দেওয়াই কঠিন হয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত ক্ষতিটা হয় শ্রমিকেরই।
যারা আজ উত্তেজনা ছড়াচ্ছে, কারখানা বন্ধ হলে তারা আপনার সংসার চালাবে না। মামলা হলে তারা আপনার পাশে দাঁড়াবে না। তাদের লক্ষ্য আপনার মজুরি নয়—দেশের শিল্পকে অস্থির করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল।
আপনার শক্তি আপনার ঐক্য, আর সেই ঐক্য কাজে লাগান সঠিক পথে:
দাবি জানান ট্রেড ইউনিয়ন ও শ্রমিক প্রতিনিধির মাধ্যমে
গুজব যাচাই না করে বিশ্বাস করবেন না
অচেনা মুখের উসকানিতে রাস্তায় নামবেন না
এই শিল্প আপনার ঘামে গড়া, আপনার সন্তানের ভবিষ্যৎও এর ওপর দাঁড়িয়ে। ধৈর্য ধরুন, আলোচনায় আস্থা রাখুন। কারো ফাঁদে পা দেবেন না।
#WageBoard #GarmentWorkers #SayNoToProvocation #ProtectOurIndustry #Bangladesh
.jpg)






