সংগৃহীত
শরীয়তপুরের নড়িয়ায় এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শিমু আক্তার নড়িয়া পৌরসভার বাড়ৈপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং কুদ্দুস খানের স্ত্রী।
স্থানীয় ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কুদ্দুস খান তার স্ত্রী শিমু আক্তারকে অচেতন অবস্থায় নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন। এরপরই স্বামী কুদ্দুস খানসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন হাসপাতালেই মরদেহ রেখে দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যান।
নড়িয়া হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, নিহত শিমু আক্তারের গলা ও ঘাড়ে একাধিক আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
এ ঘটনার পর হাসপাতাল ও আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের মধ্যেও নানা প্রশ্ন ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে নড়িয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাহার মিয়া বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট

.webp)








