সংগৃহীত
সুস্থতার জন্য সবার আগে পরিবর্তন আনতে হবে আপনার জীবনযাপনে। কারণ আমার যা খাই এবং যেভাবে চলি, তার প্রভাবই পড়ে আমাদের শরীরে। আপনি যখন নিয়ম মনে সঠিক কাজগুলো করবেন এবং সঠিক খাবার খাবেন, তখন শরীর ভেতর থেকেই সুস্থ হয়ে উঠবে। আবার আপনি যদি শরীরের কথা না ভেবে অস্বাস্থ্যকর খাবার ও অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন বেছে নেন, তখন অসুস্থ হওয়া আপনার জন্য সময়ের ব্যাপার মাত্র। তাই সুস্থ থাকার জন্য আপনার কিছু নিয়ম মেনে চলা জরুরি-
স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস
প্লেটে ভারসাম্য আনুন: শাকসবজি, ফল এবং চর্বিহীন প্রোটিনসহ সম্পূর্ণ খাবারের উপর মনোযোগ দিন।
চিনি ও লবণ কমান: প্রক্রিয়াজাত খাবার, চিনিযুক্ত পানীয় এবং অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার গ্রহণ সীমিত করুন।
স্বাস্থ্যকর চর্বি: স্যাচুরেটেড ফ্যাট (মাখন, প্রাণিজ চর্বি) এর পরিবর্তে আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট বেছে নিন।
শরীরকে আর্দ্র রাখুন: সারাদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন, যার মধ্যে ঘুম থেকে ওঠার পরপরই এক গ্লাস পানি পান করা জরুরি।
সচেতনভাবে খাওয়া: ধীরে ধীরে খান, খাবারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করুন এবং গভীর রাতে খাওয়া এড়িয়ে চলুন।
শারীরিক কার্যকলাপ
নিয়মিত ব্যায়াম: অ্যারোবিক অ্যাক্টিভিটিজ (হাঁটা, সাইকেল চালানো) এবং স্ট্রেইনথ ট্রেইনিং-এর লক্ষ্য রাখুন।
বেশি নড়াচড়া করুন, কম বসুন: ২০-৩০ মিনিটের ছোট ছোট কার্যকলাপের মাধ্যমেও এক জায়গায় বসে থাকার সময়কে ভাগ করে নিন।
সক্রিয় জীবনধারা: দৈনন্দিন জীবনে যতটা সম্ভব সক্রিয় থাকার করুন, যেমন সিঁড়ি ব্যবহার করা বা গাড়ি চালানোর পরিবর্তে হাঁটা।
ঘুম ও মানসিক স্বাস্থ্য
নিয়মিত ঘুমের সময়সূচী: একই সময়ে ঘুমাতে গিয়ে এবং ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করুন। প্রতিদিন রাতে ৭-৯ ঘণ্টা ভালো ঘুম নিশ্চিত করুন।
স্ক্রিন টাইম কমান: ঘুমের মান উন্নত করতে ডিভাইসের ব্যবহার সীমিত করুন, বিশেষ করে ঘুমানোর আগে।
মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ: মননশীলতা বা শখের জন্য সময় বের করার মতো শিথিলকরণ কৌশল অনুশীলন করুন।
প্রতিরোধমূলক অভ্যাস
ধূমপান ও ভ্যাপিং পরিহার করুন: সমস্ত তামাকজাত দ্রব্য এবং ভ্যাপিং পরিহার করুন।
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা: নিয়মিত স্ক্রিনিং এবং টিকার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
পরিচ্ছন্নতা: ঘন ঘন হাত পরিষ্কার করুন এবং অন্যান্য পরিচ্ছন্নতার বিষয়গুলো মেনে চলুন।
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট












