• রোববার   ২৫ অক্টোবর ২০২০ ||

  • কার্তিক ৯ ১৪২৭

  • || ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

১১৩

আপনি কতদিন বাঁচবেন? বুঝে নিন ছোট্ট এই পরীক্ষা করেই

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট ২০২০  

জন্মালে মরিতে হয়, এটাই জীবনের চিরন্তন সত্য। জন্মের পর থেকে প্রতিটি প্রাণীকেই অপেক্ষায় থাকতে হয় মৃত্যুর জন্য। কারণ কে কতদিন বাঁচবে তা নির্দিষ্ট করে কেউই বলতে পারেন না।

নিশ্চয়ই আমাদের আজকের প্রতিবেদনের শিরোনাম আপনাকে ঠিকই ভাবিয়ে তুলেছে! চিন্তার কিছু নেই। কারণ এখানে আজ কিছু তথ্য আপনাদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। যার মাধ্যমে ছোট্ট একটি পরীক্ষা করেই বুঝতে পারবেন আপনি কতদিন বাঁচবেন?

এই বিষয়ে বিখ্যাত ব্রিটিশ চিকিৎসক এবং টিভি প্রেজেন্টার মাইকেল মোসলের দাবি জানিয়েছেন, নিজের আয়ু পরিমাপের উপায় আসলেই আছে।

দ্য মেইল অন সানডেতে নিজের কলামে মোসলে লিখেছেন, ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্য সম্পর্কে আভাস পেতে চোখ বন্ধ করে এক পায়ে দাঁড়াতে হবে। মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলকে উদ্ধৃত করে মোসলে এই কৌশলটির কথা বলেছেন।

১৯৯৯ সালে গবেষকেরা ৫০ বছর বয়সী ২ হাজার ৭৬০ জন নারী-পুরুষের ওপর এভাবে পরীক্ষা চালান। ১৩ বছর পর গবেষকেরা মানুষগুলোর সঙ্গে পুনরায় সাক্ষাৎ করেন। ওই সময় তাদের শারীরিক সুস্থতা-অসুস্থতার সঙ্গে পরীক্ষার মিল পাওয়া যায়।

পরীক্ষায় দেখা যায় ৫০ বছর বয়সী যেসব ব্যক্তি চোখ বন্ধ করে এক পায়ে দুই সেকেন্ড দাঁড়াতে পেরেছেন তাদের মৃত্যুর সম্ভাবনা পরবর্তী ১৩ বছরে ১০ সেকেন্ড দাঁড়ানোদের থেকে তিনগুণ বেশি।

যেভাবে পরীক্ষাটি করবেন

পরিচিতি কারো হাতে স্টপওয়াচ দিয়ে দাঁড়ানোর প্রস্তুতি নিন। কোমরে হাত দিয়ে দুই চোখ বন্ধ করুন। এবার এক পা উঁচু করে দাঁড়ান। নিয়ন্ত্রণ হারানোর সঙ্গে সঙ্গে স্টপওয়াচ বন্ধ করতে হবে।

এভাবে তিনবার দাঁড়িয়ে গড় হিসাব করেন। অর্থাৎ প্রতিবার যত সেকেন্ড করে দাঁড়িয়েছেন যোগ করে ৩ দিয়ে ভাগ করুন। ৪০ এর কোটায় যাদের বয়স তাদের গড়ে ১৩ সেকেন্ড দাঁড়াতে পারার কথা।  ৫০ এ যারা, তাদের দাঁড়ানোর কথা ৮ সেকেন্ড। এভাবে ষাটোর্ধদের আনুমানিক ৪ সেকেন্ড দাঁড়াতে পারার কথা।

৪০’র কম যাদের বয়স কলামে তাদের কথা কিছু বলেননি মোসলে।

তিনি জানিয়েছেন, ধীরে ধীরে দাঁড়ানোয় বেশি নিয়ন্ত্রণ আনতে পারলে সুস্থতার সম্ভাবনাও ধীরে ধীরে বেড়ে যাবে।

আরো যেভাবে পরীক্ষা করতে পারেন

সম্ভাব্য আয়ু এবং সুস্থতার পূর্বাভাস পাওয়ার আরো উপায় রয়েছে। ১৯৯৯ সালের ওই গবেষণায় যারা চেয়ারে হাতের সাহায্য ছাড়া এক মিনিটে ৩৬ বার বসতে-উঠতে সক্ষম হয়েছিলেন তারা পরবর্তী ১৩ বছরে ২৩ বার উঠতে-বসতে পারাদের চেয়ে দ্বিগুণ সময় বেঁচেছেন।

মোসলে বলছেন, এই পরীক্ষাগুলোয় নিজের অবস্থা নেতিবাচক আসলে দুশ্চিন্তা না করে প্রতিনিয়ত ব্যায়াম করতে হবে। দাঁড়ানোর ব্যাল্যান্স বাড়াতে ইয়োগার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। ইউটিউব দেখেই যা করা যাবে।

মোসলে এক পায়ের ব্যাল্যান্স বাড়ানোর জন্য দাঁত ব্রাশ করার সময় প্রতি পায়ে ৩০ সেকেন্ড করে ভর দেন। এভাবে অনুশীলনের সময় সতর্ক থাকার কথাও বলেছেন-চোখ খোলা রাখুন; না হলে পড়ে দাঁত ভেঙে যাবে!

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ
স্বাস্থ্য বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর