সংগৃহীত
দেশের জনপ্রিয় খেলা ফুটবল। অথচ ঢাকার মধ্যে শুধু এককভাবে ফুটবলের জন্য বিশেষ কোনো স্টেডিয়াম নেই। বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল আজ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় জাতীয় দলের কোচ ছাড়াও ফুটবল অবকাঠামো নিয়ে আলোচনা হয়।
পূর্বাচলে ক্রিকেটের জন্য আলাদা আরেকটি স্টেডিয়াম হচ্ছে। ক্রিকেটের পাশাপাশি ফুটবলও আলাদা একটি স্টেডিয়ামের দাবি জানিয়েছে। আজ জাতীয় স্টেডিয়ামে দাঁড়িয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘পূর্বাচলে ক্রিকেটের জন্য একটি স্টেডিয়াম হচ্ছে। ফুটবলও আলাদা একটি স্টেডিয়াম চেয়েছে। বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমি আলোচনা করব।’
জাতীয় স্টেডিয়াম বাফুফের পাশাপাশি অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনও ব্যবহার করে। সাইক্লিং, রাগবির মতো প্রতিযোগিতাও হয় এই স্টেডিয়ামে। তাই বাফুফের চাওয়া ঢাকার মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ ফুটবল স্টেডিয়াম। বাফুফে সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরি হ্যাপি বলেন, ‘পূর্বাচলে আমরা ১৫ একর জমি চেয়েছি। ফুটবলের জন্য বিশেষায়িত একটি স্টেডিয়াম অত্যন্ত প্রয়োজন। মন্ত্রী মহোদয় বিষয়টি গুরুত্ব সহকারেই গ্রহণ করেছেন।’
বাফুফেকে তিনটি স্টেডিয়াম ঘরোয়া লিগ পরিচালনার জন্য বরাদ্দ দিচ্ছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। খুব শীঘ্রই জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ও বাফুফের মধ্যে এ নিয়ে চুক্তি স্বাক্ষর হবে। কমলাপুর, চট্টগ্রাম ও সিলেটের পাশাপাশি বাফুফে ঢাকার কাছাকাছি নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুরেও স্টেডিয়াম বরাদ্দ চেয়েছে। এই বিষয়টিও মন্ত্রণালয় বিবেচনা করছে।
বাফুফে কক্সবাজারে ট্যাকনিক্যাল সেন্টার নির্মাণ করতে চায় ফিফার অর্থায়নে। ফিফার বিনিয়োগের শর্ত জমি বাফুফের নামে হওয়া। জমির জন্য বাফুফের কাছে আট কোটি টাকা চেয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। সরকার ক্রীড়াঙ্গনের স্বার্থে বিনামূল্যে কিংবা নামমূল্যে দিতে পারে চাইলে। এই বিষয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনা করবেন।
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট

.webp)











