সংগৃহীত
ন্যাশভিলে এসসি’র বিপক্ষে সর্বশেষ ছয় ম্যাচেই ধারাবাহিক গোল করেছিলেন ইন্টার মায়ামির আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। এবার তিনি গোল-অ্যাসিস্ট কিছুই করতে পারেননি। ডেডলক ভাঙতে পারেনি কোনো দলও। ফলে গোলশূন্য সমতায় শেষ হলো মায়ামি-ন্যাশভিলের লড়াই।
আজ (বৃহস্পতিবার) ভোরে ন্যাশভিলের মাঠে কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে মুখোমুখি হয় দুই দল। গোলশূন্য ড্র–তে ম্যাচটি শেষ হওয়ায় মায়ামি-ন্যাশভিলের দ্বিতীয় লেগের ম্যাচেতে নির্ধারিত হবে কোয়ার্টার ফাইনালে কারা উঠবে। সেই ম্যাচে মেসিরা ঘরের মাঠ ফ্লোরিডার চেজ স্টেডিয়ামে আতিথ্য দেবে একই প্রতিপক্ষকে।
ন্যাশভিলের বিপক্ষে এই ম্যাচে মেসি একটি শট নিয়েছেন এবং তার পাসের সফলতার হার ছিল ৭৯ শতাংশ। ৫৫তম মিনিটে বাঁ দিক দিয়ে দৌড়ে এসে নেওয়া তার শটটি দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন ন্যাশভিলের গোলরক্ষক ব্রুয়ান শোয়াক। মেসির একমাত্র অন টার্গেট শটটি ছিল গত ২৯ নভেম্বরের পর তার সর্বনিম্ন। সেদিন নিউইয়র্ক সিটি এফসির বিপক্ষে এমএলএস কাপ ইস্টার্ন কনফারেন্স ফাইনালে তার অন টার্গেটে কোনো শট ছিল না, যদিও তিনি একটি অ্যাসিস্ট করেছিলেন। সেই ম্যাচে ৫–১ ব্যবধানে জিতেছিল ইন্টার মায়ামি।
কেউ গোল না পেলেও পজেশনে সফরকারীরা আর আক্রমণে এগিয়ে ছিল ন্যাশভিলে। ৫৯ শতাংশ বল দখলে রেখে ৫টি শট নেয় মায়ামি, যার মাত্র একটি লক্ষ্যে ছিল। বিপরীতে স্বাগতিকরা ১১ শট নিয়ে ৫টি লক্ষ্যে রাখতে পারে। ৬৫তম মিনিটে সেরা সুযোগটি পায় ন্যাশভিলে। ক্রিস্টিয়ান এসপিনোজার কর্নার থেকে বল পেয়ে বক্সের ভেতর হেড নেন রিড বেকার-হোয়াইটিং। কিন্তু বল চলে যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে।
এর আগে ২০২৪ সালের ২০ এপ্রিল থেকে ন্যাশভিলের বিপক্ষে টানা ছয় ম্যাচে গোল করেছিলেন মেসি। যেখানে তার পারফরম্যান্স ছিল বেশ দাপুটে, ১২ গোলের পাশাপাশি করেন ৫টি অ্যাসিস্ট। এদিকে, গত ২১ ফেব্রুয়ারি লস অ্যাঞ্জেলস এফসির বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে হেরেছিল মায়ামি, এরপর চার ম্যাচের মধ্যে দ্বিতীয়বার স্কোরশিটে নাম উঠেনি আর্জেন্টাইন মহাতারকার।
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট













.jpg)
.jpg)