শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

পান্ডিয়াকে ধুয়ে দিলেন গাভাস্কার-পিটারসেন

পান্ডিয়াকে ধুয়ে দিলেন গাভাস্কার-পিটারসেন

সংগৃহীত

ঘরের মাঠে চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে ম্যাচ হেরেছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। ম্যাচটিতে ২০ রানে হারের তেতো স্বাদ পেয়েছে স্বাগতিকরা। এরপর থেকে সমালোচিত হচ্ছে হার্দিক পান্ডিয়ার অধিনায়কত্ব নিয়ে। মূলত বোলারদের ব্যবহার, বিকল্প পরিকল্পনা না থাকা নিয়ে তীব্র সমালোচনায় পড়েছেন তিনি।

রোববার ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ৪ উইকেটে ২০৬ রান সংগ্রহ করে চেন্নাই। জবাবে স্বাগতিকদের হয়ে শতক করেন রোহিত শর্মা। যদিও সেই শতক মুম্বাইয়ের হার এড়াতে পারেনি। তাদের ইনিংস থামে ৬ উইকেটে ১৮৬ রানে। চেন্নাইয়ের জয় ২০ রানে।

এই ম্যাচে বোলিং-ব্যাটিংয়ে হার্দিকের পারফরম্যান্স হয়েছে ভুলে যাওয়ার মতন। বল হাতে ২ উইকেট নিলেও ৩ ওভারে তিনি দেন ৪৩ রান। এরমধ্যে শেষ ওভারেই তিনি দেন ২৬ রান। যা ম্যাচের তফাৎ করে দেয়।

স্টার স্পোর্টসের আলোচনায় সাবেক ভারতীয় কিংবদন্তি ক্রিকেটার গাভাস্কার বলেন, ‘এক ছক্কা ঠিকাছে, পরেরটা আবার লেংথ বল যখন আপনি দেখছেন ব্যাটার লেংথ বলের অপেক্ষা করছে মারার জন্য। তৃতীয় বলে আপনি আবার লেগ স্টাম্পে উপর ফুলটস দিলেন ছক্কার জন্য। একদমই সাধারণ মানের বোলিং, সাধারণ মানের অধিনায়কত্ব। আমি বিশ্বাস করি চেন্নাইকে ১৮৫ থেকে ১৯০ এর মধ্যে আটকে রাখা যেত।’

পিটারসেন বলেন, ‘আমি দেখলাম অধিনায়কের (পান্ডিয়ার) প্লান ‘এ’ আছে শুধু, যেটা খেলার ৫ ঘন্টা আগে ঠিক হয়। তার প্লান ‘বি’ থাকা দরকার ছিলো। আপনার পেসাররা যখন ওভারে ২০ রান দিচ্ছে কীভাবে  আপনি স্পিনার দিয়ে বল করান না? ব্রায়ান লারা ধারাভাষ্যে বলছিলেন, “আমরা কি দয়াকরে স্পিনারদের বল দিতে পারি।” খেলার গতি বদল করা দরকার ছিলো।’

মুম্বাইয়ের মাঠে খেলা হলেও এদিন চেন্নাইর পক্ষে বিপুল মানুষকে সমর্থন করতে দেখা যায়। দুয়ো শুনতে হয় হার্দিককে। পিটারসেনের মতে গোটা পরিস্থিতি ভীষণ প্রভাব ফেলছে হার্দিকের উপর, ‘টসের সময় দেখছিলাম হার্দিক অনেক বেশি হাসছে। বুঝাতে চাইছে সে সুখী। কিন্তু ও ঠিক নেই। আমি বলছি ও ঠিক নেই। এটা মুম্বাইয়ের ঘরের মাঠ। সেখানে ওকে টিটকিরি দেওয়া হচ্ছে। এটা মেনে নেওয়া কঠিন। সেটার প্রভাব পড়ছে হার্দিকের উপর।’

সূত্র: ডেইলি বাংলাদেশ