রোববার, ২৬ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

‘বাংলাদেশের কাছে ভারত হারায় শান্তি পাচ্ছে পাকিস্তানিরা’

‘বাংলাদেশের কাছে ভারত হারায় শান্তি পাচ্ছে পাকিস্তানিরা’

রাজনীতির মতো ক্রিকেটেও ভেন্ন মেরুতে ভারত-পাকিস্তান। দুদলের ম্যাচ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় দ্বৈরথ। এশিয়া কাপে সেই দ্বৈরথেই ভারতের কাছে হেরে আসর থেকে বিদায় নিতে হয়েছে পাকিস্তানকে।

তবে পাকিস্তানকে হারালেও বাংলাদেশকে পরাস্থ করতে পারেনি ভারত। পুরো টুর্নামেন্টে হার না দেখা ভারত পরাজয় দেখেছে বাংলাদেশের বিপক্ষে। নিয়মরক্ষার ম্যাচ হলেও ভারতের এই হার শান্তি দিচ্ছে পাকিস্তানিদেরও। যেমনটা বললেন, দেশটির সাবেক ক্রিকেটার শোয়েব আখতার। এশিয়া কাপে গতকাল বাংলাদেশের কাছে ৬ রানে হেরেছে ভারত। এই জয়ে খুশি হয়ে নিজের মন্তব্য জানাতে ভুল করেননি শোয়েব। বাংলাদেশের প্রশংসা করে সাবেক এই তারকা ক্রিকেটার নিজের ইউটিউব চ্যানেলে বলেছেন, ‘কাদের বিপক্ষে ম্যাচ হেরেছে ভারত? বাংলাদেশের কাছে, যাদের ভারতের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বলা না গেলেও প্রতিদ্বন্দ্বী বলায় যায়। এটা অবশ্যই লজ্জাজনক হার। লোকজন পাকিস্তানের সমালোচনা করছে। সমালোচনায় বলছে, পাকিস্তান শ্রীলঙ্কার কাছ থেকে মার খেয়েছে। শ্রীলঙ্কা কিন্তু ভালো দল। বাংলাদেশও খারাপ দল নয়, ওরাও ভালো দল। তারাও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলে। বিশ্বমঞ্চে বড় বড় দেশকে চ্যালেঞ্জ জানায়। ওরা ভারতকে দারুণভাবে হারিয়েছে। এতে কিছুটা শান্তি হয়তো আমার মতো অন্য পাকিস্তানিরাও পাচ্ছে। ভারত অন্তত বাংলাদেশের কাছে তো হারল।’

সেই সঙ্গে শোয়েব জানালেন, এটা ভারতের জন্য একটা সতর্কাবার্তা। পাকিস্তানকে হারিয়ে নিজেদের (ভারত) সেরা না ভাবার বার্তা দিয়েছেন তিনি, ‘আসলে ভারতের জন্য এটা একটা সতর্কবার্তা। পাকিস্তানকে হারিয়েই নিজেদের সেরা ভাবার সুযোগ নেই। শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ম্যাচটাও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ছিল। একই বার্তা দিলেন পাকিস্তানের আরেক সাবেক ক্রিকেটার রমিজ রাজা। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে তিনি বলেছেন, ‘ভারতকে একটা সতর্কবার্তা দিল বাংলাদেশ। মানছি, দলে মূল ক্রিকেটাররা খেলেনি। কিন্তু এরপরও ফাইনালের আগে জেতা প্রয়োজন ছিল। এটা অবশ্য নিয়ম রক্ষার ম্যাচ। যদিও এ ধরনের ম্যাচের ভালো ব্যাপার হচ্ছে, বেঞ্চের খেলোয়াড়দের সুযোগ মেলে। বাংলাদেশও বেঞ্চের খেলোয়াড়দের পরীক্ষা করেছে, যেখানে দু-তিনজন অসাধারণ পারফরম্যান্স করে দেখিয়েছে।’

আলোকিত সিরাজগঞ্জ