বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

‘নকল’ মঙ্গলগ্রহ বানিয়েছে নাসা, ১ বছর থাকতে হবে বিজ্ঞানীদের

‘নকল’ মঙ্গলগ্রহ বানিয়েছে নাসা, ১ বছর থাকতে হবে বিজ্ঞানীদের

মঙ্গলগ্রহে থাকতে হলে কেমন পরিবেশ দরকার? কোন কোন বিপদে পড়তে হতে পারে মহাকাশযাত্রীদের? এই সবকিছুই এবার হাতেকলমে পরীক্ষা করে দেখতে চায় নাসা। তবে এর জন্য সরাসরি মঙ্গল গ্রহে গিয়ে নয়, বরং পৃথিবীতেই এমন ছোট্ট নকল মঙ্গলের জগৎ তৈরি করে ফেলেছে তারা।

মঙ্গলে থাকতে হলে কীভাবে থাকবে মানুষ?  তা নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করতেই বানানো হলো ‘নকল’ মঙ্গলগ্রহ! আর সেখানেই টাকা এক বছর থাকবেন কয়েকজন মহাকাশ গবেষক। তাদেরকে সারা বিশ্ব থেকে নানান রকম কঠিন পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে বেছে নিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসা।

 

ওই দলেরই একজন ৫২ বছর বয়সি কেলি হ্যাস্টন সংবাদমাধ্যম এএফপিকে জানান, লাল গ্রহ থাকতে কেমন লাগে সেই পরিস্থিতি বোঝার জন্যই এই চ্যালেঞ্জ বেছে নিয়েছি। আপাতত কিছু দিন আমরা শুধু লালগ্রহে থাকার ভান করব।

আগামী জুন থেকেই তাকে এই মঙ্গলগ্রহের ডামিতে থাকতে হবে। আগামী এক বছর এভাবেই কাটবে তাদের। আমেরিকার টেক্সাসের হউস্টনে মঙ্গল গ্রহের এই বিশেষ ডামি গড়ে তোলা হয়েছে। সেখানেই আগামী এক বছর নানা প্রতিকূলতার মধ্যে থাকতে হবে কয়েকজনকে।

 

পেশায় কানাডার বায়োলজিস্ট কেলি সংবাদমাধ্যমকে জানান, এই ১২ মাসের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি খারাপ হয়ে যেতে পারে। তখন বিপদ সামাল দিতে হবে মঙ্গলের বাসিন্দাদেরই। আবার, অপ্রত্যাশিত উপহারও থাকতে পারে বাসিন্দাদের জন্য। ১৭০০ স্কয়ার ফিটের নকল মঙ্গলে থাকা খাওয়ার প্রাথমিক সুবিধা থাকবে। জিমের পাশাপাশি চাষের খেতও রয়েছে, কারণ খাবারটা ফলিয়ে খেতে হবে! 

ভবিষ্যতে লাল গ্রহের বড় অভিযান করতে হলে কি কি ব্যবস্থা দরকার তা বুঝে নিতেই নাসা এই উদ্যোগ নিয়েছে। তবে কেলির কথায়, তার কাছে এখনো পুরো জিনিসটা বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠেনি। তার কথায় এখনো অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে আগামী ১২ মাসের পরিস্থিতি।

 

শুধুই নকল মঙ্গল গ্রহ নয়, গ্রহের বাইরে মঙ্গলের মাটিতে ঘুরে বেড়ানোর জন্য একটি নকল স্থানও তৈরি করেছে নাসা। তবে ওই অঞ্চলে এমনি এমনি ভ্রমণ করা যাবে না, ওর জন্য প্রয়োজন স্পেসশুট। অর্থাৎ পুরোটাই একেবারে আসল মঙ্গলগ্রহের মতোই পরিস্থিতি।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

সর্বশেষ: