রোববার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১

মসজিদে যাতায়াতের বিশেষ পুরস্কার ও সুন্নতগুলো

মসজিদে যাতায়াতের বিশেষ পুরস্কার ও সুন্নতগুলো

দুনিয়ার সর্বোৎকৃষ্ট স্থান হলো মসজিদ। নামাজ জামাতের সঙ্গে মসজিদে আদায় করা ওয়াজিব। একজন মুমিনের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে মসজিদের গভীর সম্পর্ক। রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তাআলার সান্নিধ্য পেতে এবং তার সামনে হাজিরা দিতে প্রতিদিন পাঁচবার মসজিদে যেতে হয়। বেশি বেশি মসজিদে যাতায়াত করা ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে হাদিসে।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন- ‘যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যা মসজিদে যায়, আল্লাহ তাআলা তার জন্য জান্নাতে মেহমানদারির ব্যবস্থা করেন। সকালে অথবা সন্ধ্যায় যতবার সে মসজিদে যায়, ততবারই আল্লাহ তাআলা তার জন্য মেহমানদারির ব্যবস্থা করেন’। (সহিহ বুখারি, ৬৩১, সহিহ মুসলিম, ১৫৫৬, সহিহ ইবনে খুজাইমা, ১৪৯৬, সহিহ ইবনে হিব্বান, ২০৩৭)

মসজিদে প্রবেশের পর এর আদব রক্ষা করা এবং সুন্নতগুলোর প্রতি যত্নশীল হওয়া আবশ্যক। মসজিদে প্রবেশের পর যেসব সুন্নতের প্রতি খেয়াল রাখবেন, তাহলো-

১. মসজিদে প্রবেশের সময় নফল ইতেকাফের নিয়ত করা।
২. মসজিদে বসে আছেন বা নামাজ পড়ছেন না এমন ব্যক্তিদের এমনভাবে সালাম দিতে হবে যেন নামাজরতদের নামাজে কোনো ব্যাঘাত না ঘটে।
৩. হারাম এবং মাকরুহ সময় না হলে মসজিদে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে দুই রাকাত তাহিয়্যাতুল মসজিদ বা দুখুলুল মসজিদ নামাজ পড়া। 
৪. কাউকে কোনো গুনাহের কাজ করতে দেখলে বাধা দিতে হবে।
৫. মসজিদে বেচা-কেনা করা যাবে না।
৬. আল্লাহর জিকির, তাসবিহ ছাড়া জোরে আওয়াজ করে কথা না বলা।
৭. কোনো ধরনের হইচই না করা এবং দুনিয়াবী কথা না বলা।
৮. মানুষের ঘাড় বা কাঁধের উপর দিয়ে সামনের কাতারে না যাওয়া।
৯. কাতারের মাঝে ঠাসাঠাসি করে না দাঁড়ানো।
১০. কোনো নামাজরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে যাওয়া-আসা না করা।
১১. মসজিদে ময়লা-আবর্জনা এবং কফ, থুথু, নাকের সর্দি না ফেলা।
১২. মসজিদে আঙ্গুল না ফোটানো।
১৩. মসজিদে কোরআন তেলাওয়াত, হাদিস, ফেকাহ, ইত্যাদি দ্বীনী কাজ করা উত্তম।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

সর্বশেষ: