Warning: file_get_contents(http://ipwho.is/216.73.216.48): failed to open stream: HTTP request failed! HTTP/1.1 429 Too Many Requests in /home/u483705982/domains/alokitosirajgonj.com/public_html/details.php on line 129

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩

রক্তদানে পিছিয়ে নেই রায়গঞ্জের মেয়েরাও

রক্তদানে পিছিয়ে নেই রায়গঞ্জের মেয়েরাও

রক্তদানে মানবতার পাশে থাকতে পিছিয়ে নেই সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের মেয়েরা।  মানুষের পাশে দাড়ানোর প্রতিযোগীতায় মেয়েরাও মানুষের জন্য ডাক্তারের হাতে ভালবাসার সুচের নিচে রক্ত দানে বিছিয়ে দিচ্ছে নিজের হাত।ঐ হাত সুচ দিয়ে ফুটো হলেও অন্তরে প্রশান্তির খেলা চলে। 

খানিক কষ্টের পর মুখে হাসি নিয়ে বাড়ি ফেরা মেয়েটা আবার তৈরি হয় মানুষের পাশে দাড়ানোর জন্য।  এমন অনুভুতি ও প্রেরণা দিতে ভুল করেন না সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের ফুলজোড় রক্তদান সংগঠন।তার হাতের সুচের নিচে কেউ পড়লে তার সাহস ও মায়াভরা কথায় অন্তত ঐ ব্যক্তি মানুষের প্রয়োজনে সামর্থনুযায়ী বার বার রক্তদানে এগিয়ে আসবে এটা বলার অপেক্ষা রাখেনা।ফুলজোড় রক্তদান সংগঠন এইভাবেই মানুষকে রক্তদানে তালাশ করে ডোনার।  ফোন আসলেই ছুটে চলার প্রতিযোগীতায় নেমে পড়ে সকল সদস্য।  কখনও নিজেরা কখনও এ বাড়ি ও বাড়ি নক করতে করতেই পেয়ে যায় কাঙ্ক্ষিত রক্ত।

এবার এ কাজে তারা যুক্ত করেছে মেয়েদের আর তারাও এগিয়ে আসছে রক্তদানে।  মুসলিম সমাজে পারিবারিক ও ধর্মীয় বিধিনিষেধ থাকে, এর মধ্য দিয়েই পরিবারের সম্মতি আর কর্তা ব্যক্তিদের সাথে নিয়েই তারা হাজির ফুলজোড় রক্তদান সংগঠনের ফেসবুক ও ম্যাসেঞ্জার গ্রুপে।

এমনই একজন ব্লাড ডোনার শাবনুর ইসলাম।  অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্রী। উপজেলার মাটিখোড়া এলাকায় তার বাড়ি।  মানুষের প্রয়োজনে রক্তদানে ৩য় বারের মতো ছুটে গিয়েছেন প্রতিষ্ঠাতা মোঃ সাঈদী হাসান (সাগর) এর ডাকে।  একজনের রক্তে আরেকজনের জীবন বেঁচে গেলে যে আনন্দ তা শাবনুর ইসলাম উপলব্ধি করতে পেরেছে বলেই ছুটে আসে রক্তদানে।

রক্ত দেবার পর শাবনুরের হাতের কিঞ্চিৎ রক্ত গড়িয়ে পড়ার দাগ থাকলেও নিজের শরীরের রক্ত অন্যের শরীরে দেয়ার আনন্দ তাকে শিহরিত করে তুলেছে।  কারণ এটা তার তৃতীয়বার রক্ত দান।  (A+) পজেটিভ রক্তের গ্রুপ নিয়ে এর আগেও সে এক অসহায়কে রক্ত দিয়েছে।

শাবনুর ইসলামের মত আরও অনেকেই উপজেলার ফুলজোড় রক্তদান সংগঠনের কাছে নিজেদের নাম লিখিয়েছে।  প্রয়োজন হলেই তারাও রক্ত দানে এগিয়ে আসবে বলে জানা গেছে।

সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা মোঃ সাঈদী হাসান (সাগর) বলেন, ইদানীং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রক্ত চেয়ে অনেকে পোস্ট দেন। সুবিধাবাদী লোকজন এখানেও আছেন। অনেকেই রক্ত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকাপয়সা হাতিয়ে নেন।ফুলজোড় রক্তদান সংগঠনের কোন সদস্য যেনো রোগী ও তার পরিবারের লোকজনের থেকে কোন প্রকার অর্থ না নিতে পারেন এজন্য কঠোর ভাবে রোগীর পরিবারের লোকজনকে মুঠোফোনের মাধ্যমে ও একজন সাধারণ ডোনারকে মনিটরিং করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।তিনি আরো বলেন, ফুলজোড় রক্তদান সংগঠন সব সময় মানুষকে রক্ত দানে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। সমাজে সর্ব ক্ষেত্রে মেয়েরা এগিয়ে তাই রক্তদানের মতো একটি মহৎ কাজে কেনো একজন মেয়ে পিছিয়ে থাকবে এ নিয়ে নানা দিক নির্দেশা তুলে ধরে মেয়েদের রক্তদানে উৎসাহিত করছেন।তিনি হুশিয়ারী দিয়ে বলেন, আমাদের সংগঠনের মোট ডোনেড সংখ্যা ৮৩৪ তার মধ্যে মেয়ে ডোনেড সংখ্যা ৩২ জন।আমাদের সংগঠনের তালিকা ভুক্ত একজন সদস্যের বিরুদ্ধে যদি কোন অর্থনৈতিক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া যায় তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানা।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

সর্বশেষ

অনলাইন জরিপ

২৭ জুলাই ২০২৬ || ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩

উত্থাপিত ১৬টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই ও যুগোপযোগী করে সংসদে তোলার সরকারি সিদ্ধান্তকে আপনারা কি সমর্থন করেন ?

মোট ভোটদাতা: ১২৯জন

সর্বশেষ:

শিরোনাম: