• সোমবার   ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২৩ ১৪২৯

  • || ১৫ রজব ১৪৪৪

শাহজাদপুরে কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের মালচিং শীটে স্কোয়াশের হাসি

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ২৩ জানুয়ারি ২০২৩  

স্কোয়াশ একটি কুমড়া জাতীয় সবজি। এটি একটি বিদেশি সবজি হলেও ভোক্তার কাছে এর চাহিদা অন্যরকম। অপরদিকে উচ্চমূল্যের ফসল হওয়ায় স্কোয়াশ চাষে কৃষকের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। 

স্কোয়াশ চাষে বিঘাপ্রতি প্রায় ২০ হাজার টাকা উৎপাদন ব্যয় হলেও উৎপাদিত স্কোয়াশ বিক্রি করে প্রায় দেড় লাখ টাকা পাওয়া যায়। এতে স্কোয়াশ চাষে খরচ বাদে বিঘাপ্রতি কৃষকের প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা লাভ হয়। মাত্র ৪০-৫০দিনেই এ ফসল পাওয়া যায়। ফলে স্কোয়াশ চাষে লাভবান হচ্ছে কৃষক।  

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার রূপবাটি ইউনিয়নের চর ধুনাইল গ্রাম সহ বিস্তৃর্ণচরে এ সবজির চাষ হচ্ছে। চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় ৮ হেক্টর জমিতে স্কোয়াশ চাষ হয়েছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এখানকার স্কোয়াশ সরাসরি চলে যাচ্ছে ঢাকায়। উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকেও স্কোয়াশ চাষ বাড়াতে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজশাহী বিভাগের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প থেকে মালচিং শীট ব্যবহার করে উন্নত মানের স্কোয়াশ উৎপাদন প্রদর্শনী স্থাপন করা হয়েছে। প্রদর্শনী প্রাপ্ত কৃষক আব্দুস সালাম জানান- মালচিং শীট ব্যবহার করার ফলে স্কোয়াশ চাষে পানি সেচ, নিড়ানি দিতে হয়নি। রোগ বালাই এর উপদ্রব কম। তিনি আরো বলেন- প্রতি বিঘা জমিতে ২ হাজার ৫০০ গাছ আছে, প্রতি গাছে গড়ে ৩-৪ স্কোয়াশ রয়েছে। প্রতি স্কোয়াশ ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

 কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ মো. এহসানুল হক বলেন- কৃষকদেরকে আমরা উচ্চমূল্যের ফসলের দিকে নিয়ে যাচ্ছি। যাতে তারা লাভবান হয়। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোহাম্মদ আব্দুস ছালাম বলেন- অল্প সময়ে স্বল্প বিনিয়োগে স্কোয়াশ চাষে অধিক লাভ করা যায়। স্কোয়াশ চাষে কৃষকরা ব্যাপক সফলতা পাচ্ছেন। এই চরের আবহাওয়া স্কোয়াশ চাষের জন্য উপযোগী এবং লাভজনক। সেজন্য এর চাষ বাড়াতে আমরাও কৃষকদেরকে পরামর্শ দিচ্ছি।  

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ