সংগৃহীত
নামাজ ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের একটি। ঈমানের পরই নামাজের অবস্থান। প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পর থেকে মৃত্যু পর্যন্ত নামাজ আদায় ফরজ। কোরআন, হাদিস, ইজমা, কিয়াসের ভিত্তিতে নামাজ ফরজ হওয়ার বিষয়টি প্রতিষ্ঠিত ও প্রমাণিত।
আল্লাহ তায়ালা বলেন, তাদেরকে এ ছাড়া অন্য কোন হুকুমই দেয়া হয়নি যে, তারা আল্লাহর ইবাদত করবে খাঁটি মনে একনিষ্ঠভাবে তার আনুগত্যের মাধ্যমে। আর তারা নামাজ প্রতিষ্ঠা করবে আর জাকাত দিবে। আর এটাই সঠিক সুদৃঢ় দ্বীন। (সুরা আল-বায়্যিনাহ, আয়াত: ০৫)
সর্বাবস্থায় প্রত্যেক মুমিনের ওপর নামাজ আদায় অত্যাবশক। কেউ অসুস্থ হয়ে গেলেও নামাজ আদায় করতে হবে। তবে তখন নামাজ আদায়ের ধরনে কিছুটা ভিন্নতা আসবে।
অসুস্থ ব্যক্তির নামাজ সম্পর্কে রাসুল (সা.) বলেন, ‘দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ো, যদি না পারো তাহলে বসে নামাজ পড়ো, যদি তাও না পারো, তাহলে ইশারা করে নামাজ আদায় করো। (বুখারি, হাদিস: ১০৫০) এ হাদিস থেকে বোঝা যায়, অসুস্থ অবস্থায়ও নামাজ ছেড়ে দেওয়া যাবে না।
যে ব্যক্তি দাঁড়িয়ে নামাজ পড়তে অক্ষম, সে বসে বসে রুকু-সিজদা আদায় করে নামাজ পড়বে। বসে রুকু-সিজদা আদায়কারী নামাজে রুকুর তুলনায় সিজদায় সামান্য বেশি ঝুঁকবে।
অসুস্থতার কারণে বসে নামাজ পড়তে অপারগ হলে, শুয়ে ইশারার মাধ্যমে নামাজ পড়বে। তখন (অসুস্থের) পা কিবলার দিকে করে শোয়াতে হবে। মাথা সামান্য ওপরে তুলে শোয়াবে; যাতে চেহারা কিবলার দিকে হয়। এরপর ইশারা করে রুকু-সিজদা করবে। তখন যদি অন্তত মাথা দিয়েও ইশারা করা হয়— তা রুকু-সিজদার স্থলাভিষিক্ত বিবেচিত হবে।
অসুস্থ ব্যক্তি ইশারা করেও নামাজ আদায় করতে না পারলে কী করবেন?
অসুস্থতার কারণে রুকু-সিজদার জন্য মাথা দিয়ে ইশারা করে নামাজ আদায়ের ক্ষমতাও যদি না থাকে এবং এ অবস্থায় একদিন একরাতের চেয়ে বেশি সময় অতিবাহিত হয়ে যায় তাহলে এ সময়ে ছুটে যাওয়া নামাজগুলোর কাজা করতে হবে না।
অবশ্য যদি একদিন এক রাত বা এর আগেই মাথা দিয়ে ইশারা করে নামাজ পড়ার মতো শক্তি ফিরে পায় তাহলে ওই সময়ে ছুটে যাওয়া নামাজগুলো কাযা করে নিতে হবে।
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট













