সংগৃহীত
উপসাগরে যুদ্ধের দামামা চলছে। আবাল্য ‘উপসাগর’ বলতে আমরা পারস্য উপসাগরই বুঝি। পৃথিবীতে আরও কত কত উপসাগর রয়েছে, বঙ্গোপসাগর তাদের মধ্যে সুন্দরীতমা। কিন্তু পারস্য উপসাগর এক আতঙ্কের নাম। সংবাদপত্রে যখনই পারস্য উপসাগরের উচ্চারণ দেখবেন, বুঝবেন ঝামেলা বেধেছে।
এর কারণ হলো, এই উপসাগর ঘিরে রয়েছে বেশ কয়েকটি আরব দেশ যারা তেল ও গ্যাসের প্রধানতম উৎস, আছে ইরান, আছে হরমুজ প্রণালি। এই প্রণালিটি একটি সংকীর্ণ নৌপথ যা পারস্য উপসাগরকে আরব সাগরের সাথে যুক্ত করেছে। গুগলে এই ম্যাপটি দেখবেন, সংকীর্ণ নৌপথের সংকীর্ণতম স্থানে এর বিস্তার ৩৯ কিলোমিটারের মতো।
এই সরু পথ দিয়েই দুনিয়ার এক-চতুর্থাংশ সমুদ্রবাহী তেল এবং এক-পঞ্চমাংশ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ হয়। কাতারের মতো ছোট একটি দেশ একাই গোটা পৃথিবীর ২০ শতাংশ গ্যাস দিয়ে থাকে যার একটা বড় অংশ এখন ইউরোপকে উষ্ণ রাখছে (রুশ গ্যাস ইউরোপ নেবে না)।
বুঝুন, দুনিয়ার জ্বালানি পরিকাঠামো কীভাবে এই সরু পথটির ওপর নির্ভরশীল, আর কেনইবা ওই উপসাগর দুনিয়াবাসীর জন্য মূর্তিমান আতঙ্ক। তদুপরি, এই প্রণালি দিয়ে নৌ-চলাচল অনেকটাই ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর মর্জির ওপর নির্ভর করে। যেকোনো আঞ্চলিক উত্তেজনায় ইরান এই নিয়ন্ত্রণকে ‘লিভারেজ’ হিসেবে ব্যবহার করে।
সাম্প্রতিক যুদ্ধে ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানে সামরিক অভিযান পরিচালনা করে যা স্পষ্টত হামলা। নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যা করা হয়, সামরিক ও বেসামরিক নেতৃত্বের একটি ছোট অংশ নিশ্চিহ্ন করা হয়। জবাবে ইরান ইসরায়েল, আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে যত মার্কিন সম্পদ বা সামরিক বেইজ বা ‘অ্যাসেট’ আছে তাতে হামলা শুরু করে।
এমনকি তারা বিভিন্ন রিফাইনারি, কূপ ও তেলের ডিপোতেও আঘাত করে। তাদের অন্যতম লক্ষ্য হলো আঞ্চলিক উত্তেজনা ছড়িয়ে দিয়ে আরও বেশি রাষ্ট্রকে যুদ্ধের ভেতর টেনে আনা, বিশ্বের ‘লাইফলাইন’ জ্বালানি সরবরাহকে আঘাত করা। এতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়বে, দুনিয়াজুড়ে জ্বালানি ও অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টি হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাধ্য হবে সমঝোতায় যেতে চাপ দিতে।
তেলের দাম বাড়লেই পরিবহন খরচ বেড়ে যাবে। প্রথমেই আঘাত পড়বে খাদ্যবস্তুর ওপর। ট্রাক, বাল্ক-হেড নৌযান ও ট্রেনে করে যেসব পণ্য পরিবহন করতে হয়, তাদের প্রতিটির মূল্য বেড়ে যাবে। বাসাবাড়ির বিদ্যুতের বিল ও এলপিজি গ্যাসের দামও প্রকারান্তরে বাড়বে।
এখন এই যুদ্ধাবস্থায় জ্বালানি উত্তেজনা তুমুল শীর্ষ স্পর্শ করেছে। তেল ও গ্যাসের মূল্য কত হবে, কত বাড়বে, এই নিয়ে দেশে দেশে চলছে তুমুল গণনা। এই গণনার অন্যতম প্যারামিটার হলো যুদ্ধ কতদিন চলবে, কতগুলো ট্যাংকার আহত হবে, কতগুলো রিফাইনারির মোট কত অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে, ডকিং ফ্যাসিলিটি, তৈল আধার কী রকম ক্ষতিগ্রস্ত হবে—এসবের ওপর।
মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে যুদ্ধ কয়েক সপ্তাহ চলতে পারে, তবে যুদ্ধ-বিশ্লেষকরা বলছেন প্রায় ৮ সপ্তাহ যুদ্ধ চলতে পারে। অপরিশোধিত তেল (ব্রেন্ট ক্রুড) এর মূল্য চড়া হতে শুরু করেছে, কেউ কেউ বলছেন এই দাম ব্যারেল প্রতি ১০০-১৬০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।
সৌদি আরব পূর্ব উপকূলের বড় তৈল শোধনাগার রাস তানুরা বন্ধ করে দিয়েছে, যার ক্ষমতা ছিল প্রতিদিন ৫,৫০,০০০ ব্যারেল। ব্রেন্টের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিচের চিত্রে [৫] দেখানো হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এটা আরও বাড়বে যদি না সমঝোতা বা শান্তি আলোচনা শুরু না হয়।
তেল ও গ্যাসের মূল্য সব দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের খুব কম দেশই আছে যারা জ্বালানি-স্বাধীন। অর্থাৎ, তাদের নিজদের জ্বালানি সম্পদই তাদের নিজেদের জন্য যথেষ্ট। বাংলাদেশসহ অধিকাংশ দেশই জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল। জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি মানেই অর্থনীতির চাকায় আঘাত করা।
তেলের দাম বাড়লেই পরিবহন খরচ বেড়ে যাবে। প্রথমেই আঘাত পড়বে খাদ্যবস্তুর ওপর। ট্রাক, বাল্ক-হেড নৌযান ও ট্রেনে করে যেসব পণ্য পরিবহন করতে হয়, তাদের প্রতিটির মূল্য বেড়ে যাবে। বাসাবাড়ির বিদ্যুতের বিল ও এলপিজি গ্যাসের দামও প্রকারান্তরে বাড়বে।
আমাদের মতো নিম্নআয়ের দেশের মানুষদের নাভিশ্বাস উঠে যাবে। তবে, মনে রাখতে হবে, আমাদের সব তেল আর গ্যাসই যে হরমুজ প্রণালি থেকে আসে, তা নয়। ওমান বা ব্রুনেই থেকেও গ্যাস আনা যায়। ভারতের হাত ঘুরে রুশ তেল আমরা আনতে পারব। বৈশ্বিকভাবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকলে রুশ জ্বালানি এবং অন্যান্য ছোট উৎসের দিকে নজর ঘুরে যাবে।
হয়তো ইউক্রেইন যুদ্ধ পরিস্থিতির মতো উত্তুঙ্গ মূল্যে না পৌঁছলেও জ্বালানির দাম বেড়ে গেছে ইতিমধ্যে, আরও বাড়বে ধরেই জাতীয় পরিকল্পনা সাজাতে হবে। আমাদের দেশের নতুন সরকারের জন্য এটা একটা চ্যালেঞ্জ।
বাংলাদেশের জ্বালানি পরিস্থিতি কেমন? দেশে বর্তমানে ১ লাখ ৩৬ হাজার থেকে ২ লাখ ১৭ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেলের মজুদ রয়েছে। এর মধ্যে ডিজেল ১৪ দিন, অকটেন ৩১ দিন, পেট্রল ১৭ দিন, ফার্নেস ৯৩ দিন ও জেড ফুয়েল ৫৫ দিনের মজুদ রয়েছে [১,৩]।
ফলে অভ্যন্তরীণ বাজারে আন্তর্জাতিক মূল্যবৃদ্ধি আঘাত হানতে সময় লাগবে বড়জোর তিন সপ্তাহ। কিন্তু এখন থেকেই রেশনিং না করলে পরিস্থিতি আওতার বাইরে চলে যেতে পারে। দেশের গ্যাসের অবস্থা আরও একটু নাজুক। আমাদের প্রতিদিনের গ্যাস সরবরাহ ২৬০ থেকে ২৭০ কোটি ঘনফুট প্রয়োজন হয়, যার বড় অংশ যায় শিল্পে, সারকারখানায়, বিদ্যুৎ উৎপাদনে এবং বাকিটা বাসাবাড়িতে। এর প্রায় ৯৫ কোটি ঘনফুটই আমদানি করা এলএনজি [৪]।
অর্থাৎ মোট সরবরাহের ৩৫ শতাংশ আমদানি নির্ভর। প্রসঙ্গত, উল্লেখ্য যে এই ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে আমরা দেশজুড়ে এলপিজি সিলিন্ডারের ব্যাপক সংকট লক্ষ করেছি। সে সময়কার পরিস্থিতির জন্য স্যাংশন পাওয়া জাহাজের সমস্যা ছাড়াও মজুতদারি একটি সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল। সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি এবারও ঘটতে পারে।
তেল ও গ্যাস থেকে নজর সরিয়ে যদি অন্য উৎসের দিকে তাকানো যাক। গণমাধ্যম থেকে জানা যায়, দেশে বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ১২ হাজার ৮ মেগাওয়াটের কাছাকাছি বিদ্যুতের চাহিদা তৈরি হচ্ছে। আসন্ন গ্রীষ্মে বিদ্যুতের চাহিদা প্রাক্কলন করা হয়েছে ১৮ হাজার মেগাওয়াট।
কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সক্ষমতা ব্যবহার করা হচ্ছে সাড়ে ৪,৫০০ মেগাওয়াটের কিছু বেশি। কয়লার সক্ষমতা নানা কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে কয়লা আমদানি করতে গিয়ে। কয়লা সরবরাহ নিয়ে সময়মত চুক্তি করতে না পারায় লম্বা সময় ধরে বেশকিছু কয়লাচালিত প্ল্যান্ট বসিয়ে রাখতে হয়েছে।
কয়লা সংকট ছাড়াও বিল বকেয়া এমনকি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে অনেক কেন্দ্র অলস বসে থেকেছে। কয়লা আমদানির দরপত্র আহ্বান করেও দীর্ঘমেয়াদে কোনো কয়লা সরবরাহকারী নির্বাচন করা যায়নি [২]। এসব দীর্ঘসূত্রিতা আমাদের এই খাতে ভোগাচ্ছে। তবে তেল ও গ্যাস নিয়ে ঝামেলা বেধে গেলে, দ্রুত সময়ে কয়লার দিকে ঝুঁকতে হবে, না হয় বড় লোডশেডিংয়ের মুখে পড়তে হবে দেশকে।
কয়লা অবশ্য আপৎকালীন ব্যবস্থা। নবায়নযোগ্য শক্তির সক্ষমতা বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত বেশ সীমিত। এটা দিয়ে তেল-গ্যাসের খামতি মেটানোর মতো অবস্থা আমাদের হয়নি। এটা মধ্য-থেকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ব্যাপার, যেক্ষেত্রে আমরা ধারাবাহিক অব্যবস্থাপনার শিকার।
কয়লা অবশ্য আপৎকালীন ব্যবস্থা। নবায়নযোগ্য শক্তির সক্ষমতা বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত বেশ সীমিত। এটা দিয়ে তেল-গ্যাসের খামতি মেটানোর মতো অবস্থা আমাদের হয়নি। এটা মধ্য-থেকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ব্যাপার, যেক্ষেত্রে আমরা ধারাবাহিক অব্যবস্থাপনার শিকার। রূপপুর এই বছরের শেষ নাগাদ শুরু হওয়ার কথা, যদি না আরও পেছায়। ভয় হচ্ছে, নানান ভূরাজনৈতিক দুর্বিপাকে সেটা খানিকটা পেছাতে পারে।
তেল-গ্যাস খাত উন্মাতাল হয়ে উঠলে বিশেষ করে ডিজেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে কৃষি, পরিবহন ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে তার প্রভাব পড়বে। এখন বোরো মৌসুমে তাপমাত্রা বাড়তে থাকায় বিদ্যুৎ চাহিদা ক্রমশ বাড়বে। ফলে বাসাবাড়ির চাহিদা আবার সেচের চাহিদা বাড়তি থাকবে। সম্ভবত, লোডশেডিং থাকবে, তবে একে সহনীয় রাখাই ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জ।
সরকার নানাবিধ রেশনিং এর মধ্য দিয়ে যেতে চাইবে। মন্ত্রী বলেছেন, ব্যক্তিগত গাড়ি কমিয়ে গণপরিবহন এবং শপিং মলের বাড়তি আলোকসজ্জা বন্ধ রাখতে। আমাদের এখনই দ্রুত কয়লা আমদানির দিকে ঝুঁকতে হবে, অন্য দেশ এদিকে নজর দেওয়ার আগেই, ভৌগোলিকভাবে আমরা যেহেতু ইন্দোনেশিয়া, ভারত বা অস্ট্রেলিয়ার কাছাকাছি আছি। রুশ এবং ব্রুনাই এর জ্বালানি উৎসের দিকে নজর দিতে হবে।
বিভিন্ন স্যাংশন রুশ জ্বালানি ক্রয়ের অন্তরায়, কিন্তু এখানে নানারকম বিকল্প ব্যবস্থা আছে। ভারতের সাথে আমাদের তেলের পাইপলাইন আছে, সেটা ব্যবহার করা যেতে পারে, যদিও সেটা বেশ সীমিত পর্যায়ের। তবে গুরুত্বপূর্ণ হলো কৌশলগত তৈলাধার নির্মাণ করা—আমাদের এখন যা আছে সেটা হলো চলতি আধার, ১৫ থেকে ত্রিশ দিনের তেল সঞ্চয় থাকে, আবার ব্যবহার হয়, আবার ভরা হয় ইত্যাদি।
একটি কৌশলগত তৈলাধারে ৪ লাখ টনের মতো ডিজেল মজুদ রাখা হবে, সবসময়ের জন্য। খুব বিপদের দিনে এটা ব্যবহার করা হবে। দাম যখন বেশ সুলভ থাকবে, তখন এই তেল সঞ্চয় করে রাখা যাবে। কৌশলগত তৈলাধার বা স্ট্র্যাটেজিক স্টোরেজ বানাতে হলে বর্তমান সঞ্চয় ক্ষমতা দ্বিগুণ করতে হবে এবং কিছু কিছু তৈলাধারকে তখন কৌশলগত ঘোষণা করতে হবে।
অধ্যাপক ড. ম. তামিমের মতে, এটা আমাদের আমদানি-নির্ভর জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য উপকারী হবে, কেননা এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রূডের দামের ওঠানামাকে কিছুটা হলেও সামাল দেওয়া সম্ভব হবে।
অতএব, জ্বালানি খাতে আশু কোনো সুসংবাদ নেই, দুঃসংবাদই এখনকার একমাত্র সংবাদ। জ্বালানি চিন্তকদের কপালে তাই চিন্তার ভাঁজ। এই খাত যেহেতু সরকারি ব্যবস্থাপনায় চালিত হয়, সরকার আবার নতুন, ফলে দুশ্চিন্তা থাকছেই। আশার একমাত্র আশ্রয়স্থল হলো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় মধ্যপ্রাচ্যকে ক্রমশ শান্ত করবে। আপাতত এছাড়া আমাদের কোনো গত্যন্তর নেই।
তথ্যসূত্র:
১/ ‘জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, সরবরাহে বিঘ্ন, দুশ্চিন্তা বাংলাদেশেও’, মহিউদ্দিন ও সুজয় চৌধুরী, ০৩ মার্চ ২০২৬, দৈনিক প্রথম আলো।
২/ ‘লোডশেডিং মোকাবেলায় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় চালু রাখাই বিকল্প’, নিজস্ব প্রতিবেদক, ৩ মার্চ ২০২৬, বণিক বার্তা।
৩/ ‘তীব্র গ্যাস সঙ্কটের শঙ্কা’, হাসনাইন ইমতিয়াজ, ০২ মার্চ ২০২৬, দৈনিক সমকাল।
৪/ ‘দেশে জ্বালানি তেলের মজুদ আছে কত দিনের? জানা গেল বাড়বে কি না দাম’, ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৫ মার্চ ২০২৬, দৈনিক কালের কণ্ঠ।
৫/ রব ডেভিস, ‘হাউ এস্কালেটিং ইরান কনফ্লিক্টইজ ড্রাইভিং আপ অয়েল অ্যান্ড গ্যাস প্রাইস’, ২ মার্চ ২০২৬, দ্য গার্ডিয়ান।
ড. ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী : অধ্যাপক, তড়িৎকৌশল বিভাগ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট










