সংগৃহীত
অসংখ্য রেকর্ড গড়ে গতকাল (রোববার) রাতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতল ভারত। বিশ্বকাপ শিরোপা ধরে রাখা, টানা দুটি ট্রফি জয় এবং স্বাগতিক হিসেবে চ্যাম্পিয়ন— এই তিন ‘প্রথমের’ ইতিহাস গড়েছে তারা। তাদের কোচ গৌতম গম্ভীরও ইতিহাসের পাতায় নাম লিখেছেন ট্যাকটিশিয়ান হিসেবে দুটি আইসিসি ইভেন্ট জিতে। এই সাফল্যে স্কোয়াডের ১৫ জন ক্রিকেটার আর নেপথ্যে থেকে কোচিং স্টাফরা কাজ করে গেছেন। কিন্তু দলের বাইরের চার জনকেও কৃতিত্ব দিলেন গম্ভীর।
গম্ভীর নাম নিয়েছেন রাহুল দ্রাবিড়, ভিভিএস লক্ষ্মণ, অজিত আগারকার ও জয় শাহের। ভারতীয় কোচ বলেন, ‘এই ট্রফি আমি উৎসর্গ করতে চাই রাহুল ভাই আর লক্ষ্মণ ভাইকে। ভারতীয় ক্রিকেটকে এই জায়গায় নিয়ে আসার নেপথ্যে রাহুল ভাই তার সময়ে কি না করেছেন। সবকিছুর জন্য আমি তাকে ধন্যবাদ জানাই। পাশাপাশি লক্ষ্মণ ভাইও আড়ালে থেকে নিজের দায়িত্ব সামলেছেন নিঃস্বার্থভাবে। সিওই আছে বলেই ভারতের ক্রিকেট এত উন্নত। অজিতের কথাও বলব। এত সমালোচনার পরেও ও নিজের কাজ করে গিয়েছে।’
গম্ভীর জানালেন, তার জীবনে জয়ের কতটা ভূমিকা রয়েছে। তিনি বলেন, ‘জয় ভাই আমাকে কোচের দায়িত্ব দিয়েছিলেন। এর আগে তো কোথাও কোচিং করাইনি। তার পরেও জয় ভাই ভরসা রেখেছিলেন। সেই ভরসা আজও আছে। নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হোয়াইওয়াশ হওয়ার পর একমাত্র জয় ভাই ফোন করেছেন। আমাকে উৎসাহ দিয়েছেন। তাই এই সাফল্যের কৃতিত্ব ওদের। তারা যতদিন সেখানে আছেন, আমি মনে করি ভারতীয় ক্রিকেট খুব, খুব নিরাপদ কারো হাতে আছে।’
গম্ভীর জানালেন, তিনি ও সূর্যকুমার যাদব দলের মধ্যে ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলার মানসিকতা ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন। বড় কিছু পেতে হলে উচ্চঝুঁকি নিয়ে খেলা গুরুত্বপূর্ণ, এটাই মনে হয়েছে তাদের। ভারতীয় ক্রিকেটের দর্শন বদলে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন গম্ভীর, ‘আমরা আর ১৬০ বা ১৭০ রান করার জন্য খেলি না। ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলতে হবে। ঝুঁকি নিতে হবে। ঝুঁকি না নিলে সফল হওয়া যাবে না। তাতে ১০০ রানে অলআউটও হয়ে যেতে পারি। দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচে সেটাই হয়েছে। তাতে ভয়ের কিছু নেই। চেষ্টা করতে হবে ২০০-র বেশি রান করার। সেই চেষ্টাই আমরা করছি।’
গম্ভীরের মতে, শুধু বিশ্বকাপ নয়, দেশের জার্সিতে নেমে প্রতিটি ম্যাচ জিততে হবে। তার কথা, ‘আমরা এর আগেই দ্বিপাক্ষিক সিরিজ হেরেছি। ভাবতে হবে, আমাদের জায়গায় আসার জন্য লাখ লাখ মানুষ তৈরি। কিন্তু সুযোগ আমরা পেয়েছি। দেশের হয়ে খেলার থেকে গর্বের কিছু হয় না। তার প্রতিদান দিতে হবে।’
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট












.jpg)
