• মঙ্গলবার   ১৬ আগস্ট ২০২২ ||

  • ভাদ্র ১ ১৪২৯

  • || ১৯ মুহররম ১৪৪৪

পঞ্চগড়ে লটকনের বাম্পার ফলন, প্রতি মণ ২৫০০ টাকা

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ১০ জুলাই ২০২২  

চলতি মৌসুমে পঞ্চগড়ে লটকন চাষ করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছেন অনেক চাষি। দেশ-বিদেশে চাহিদা বাড়ায় পঞ্চগড়ে বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হচ্ছে পুষ্টি ও ঔষধিগুণ সমৃদ্ধ এই লটকন। স্বল্প খরচে লাভ বেশী হওয়ায় লটকন চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন অনেকে। তাছাড়া পঞ্চগড়ে দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে লটকন চাষ।

জানা যায়, এই জেলার মাটি ও আবহাওয়া লটকন চাষের জন্য উপযোগী। চারা লাগানোর ৩ থেকে ৪ বছরেই ফল ধরে গাছে। এসব বাগানের গাছে গোড়া থেকে মগডাল পর্যন্ত লটকন ধরে। সুস্বাদু এই ফল চাষে খুব বেশি খরচ নেই। গোবর সার ছাড়া অন্য কোনো রাসায়নিক সার প্রয়োজন পড়ে না।

দেবীগঞ্জ উপজেলার চিলাহাটি ইউনিয়নের লটকন চাষী গকুল চন্দ্র রায় বলেন, ৯ বিঘা জমিতে সুপারি বাগানে সাথে লটকন চাষ করছি। বর্তমানে আমার বাগানে ৭০ টি লটকন গাছ রয়েছে। চলতি মৌসুমে বাগান থেকে আড়াই লাখ টাকার লটকন বিক্রি করি।

পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলাহাট এলাকার লটকন চাষী শহিদুল্লাহ বলেন, আমার বাগানে ৩০টি লটকন গাছ আছে। লটকন চাষে পরিশ্রম নেই বললেই চলে। এবার আমি ২৫শ টাকা মন হিসেবে লটকন বিক্রি করেছি।

হাড়িভাসা এলাকার লটকন চাষি আব্দুল হাই বলেন, লটকন ফল বিক্রি নিয়ে আমাদের চিন্তা করতে হয়না। লটকন ফলন ধরার পর জমিতেই পাইকারি বিক্রি করে দেওয়া যায়। পাইকাররা বাগান থেকেই লটকন কিনে নিয়ে যায়।

লটকন পাইকার আবুল হোসেন বলেন, বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি লটকন ৮০থেকে ১০০টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আমাদের জেলার লটকন আশেপাশে জেলাতে সরবরাহ করা হয়।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে তথ্যের ভিত্তিতে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, জেলায় এবার ৩ হেক্টর জমিতে লটকনের চাষ হয়েছে। গত বছর আমরা ১০ মেট্রিকটন ফলন পেয়েছি। আশা করছি এবছর লটকনের চাষ বাড়বে এবং ফলনও বেশি পাওয়া যাবে। একটি পূর্ণবয়স্ক গাছে প্রায় ৫ থেকে ১০ মন ফলন পাওয়া যায়।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ