শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

‘খাওয়া থামা নাহলে আরও মোটা হয়ে যাবি’

‘খাওয়া থামা নাহলে আরও মোটা হয়ে যাবি’

সংগৃহীত

ভারতের অন্যতম শীর্ষ জনপ্রিয় কৌতুকশিল্পী ও সঞ্চালক ভারতী সিংহ। পর্দায় তার হাস্যোজ্জ্বল উপস্থিতি কোটি মানুষের মন জয় করলেও, পর্দার পেছনের গল্পটা ছিল অনেকটা বিষাদময়। বর্তমান সময়ের বডি শেমিং বা শারীরিক গঠন নিয়ে কটাক্ষের শিকার তিনি হয়ে আসছেন একদম ছোটবেলা থেকেই। এমনকি নিজের মায়ের কাছ থেকেও তাকে শুনতে হয়েছে অনাকাঙ্ক্ষিত মন্তব্য।

 

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ভারতী তার শৈশবের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন। তিনি জানান, সেই সময় সমাজে শরীর নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করাকে কোনো অপরাধই মনে করা হতো না।

কেউ কিছুটা স্থূল হলে সরাসরি ‘মোটা’ কিংবা গায়ের রঙ কিছুটা চাপা হলে অবলীলায় ‘কালো’ বলে ডাকা হতো। এসব মন্তব্যে অপর পাশের মানুষের মনে কতটা গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হয়, তা নিয়ে ভাবার অবকাশ ছিল না কারও।

ভারতী বলেন, ‘আমার নিজের মা-ও আমাকে বলতেন আর কত খাবি? এবার খাওয়া থামা, নাহলে তো আরও মোটা হয়ে যাবি।’ ছোটবেলায় নিয়মিত এসব কথা শুনতে শুনতে তিনি একরকম অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিলেন।

তবে পরিণত বয়সে এসে তিনি উপলব্ধি করেন, আপনজনদের কাছ থেকে আসা এমন মন্তব্য একজন মানুষের আত্মবিশ্বাসকে কতটা তলানিতে নামিয়ে আনতে পারে। বিনোদন জগতে পা রাখার পর ভারতী দেখেছেন, স্থূলতাকে পুঁজি করে কৌতুক তৈরি করা বা কাউকে ছোট করে হাসানোর প্রবণতা বেশ পুরনো।

এদিকে ক্যারিয়ারের শুরুর সেই কষ্টগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে ভারতী এক কঠোর সিদ্ধান্ত নেন। তিনি ঠিক করেন, অন্য কাউকে অপমান করে বা কারও শারীরিক গঠন নিয়ে ব্যঙ্গ করে তিনি হাসির রসদ জোগাবেন না।

সূত্র: ঢাকা পোষ্ট

সর্বশেষ

অনলাইন জরিপ

১৫ মে ২০২৬ || ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

উত্থাপিত ১৬টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই ও যুগোপযোগী করে সংসদে তোলার সরকারি সিদ্ধান্তকে আপনারা কি সমর্থন করেন ?

মোট ভোটদাতা: ১২৯জন