Warning: file_get_contents(http://ipwho.is/216.73.216.102): failed to open stream: HTTP request failed! HTTP/1.1 429 Too Many Requests in /home/u483705982/domains/alokitosirajgonj.com/public_html/details.php on line 129

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

পুলিশ কর্মকর্তার ছেলে তাইম হত্যা : চার্জ গঠনে আসামিপক্ষের শুনানি আজ

পুলিশ কর্মকর্তার ছেলে তাইম হত্যা : চার্জ গঠনে আসামিপক্ষের শুনানি আজ

সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে পুলিশ কর্মকর্তার ছেলে ইমাম হাসান তাইম হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযোগ গঠনের বিষয়ে ১১ আসামির পক্ষে আজ শুনানি করবেন আইনজীবীরা।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ শুনানির দিন ধার্য রয়েছে।

এদিন দুই আসামির পক্ষে শুনানি করবেন আইনজীবী আবুল হাসান। বাকি ৯ আসামির পক্ষে লড়বেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী এম হাসান ইমাম ও লোকমান হাওলাদার। শুনানিতে ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন না করার আবেদনের পাশাপাশি অব্যাহতি চাইবেন বলে জানিয়েছে আসামিপক্ষ। 

গত ২৮ জানুয়ারি ১১ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের আবেদন করেছে প্রসিকিউসন। শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনালে এ আর্জি জানান চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

এ মামলায় ১১ আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার রয়েছেন যাত্রাবাড়ী থানার তৎকালীন ওসি আবুল হাসান ও সাবেক এসআই শাহাদাত আলী।

পলাতকরা হলেন- ডিএমপির তৎকালীন কমিশনার হাবিবুর রহমান, যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, ওয়ারি জোনের সাবেক ডিসি ইকবাল হোসাইন, এডিসি শাকিল মোহাম্মদ শামীম, ডেমরা জোনের তৎকালীন এডিসি মো. মাসুদুর রহমান মনির, তৎকালীন সহকারী পুলিশ কমিশনার নাহিদ ফেরদৌস, যাত্রাবাড়ী থানার তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জাকির হোসেন, পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) ওহিদুল হক মামুন ও এসআই (নিরস্ত্র) সাজ্জাদ উজ জামান।

এর আগে, গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর ১১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-২। একইসঙ্গে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। ওই দিন তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। 

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ২০ জুলাই যাত্রাবাড়ীর কাজলা এলাকায় হাবিব-সুদীপসহ ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে খুব কাছ থেকে গুলি চালিয়ে নির্মমভাবে তাইমকে হত্যা করা হয়। বাঁচাতে এগিয়ে এলে তার বন্ধু রাহাতকেও গুলি চালায় পুলিশ। সব মিলিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যার নির্দেশ, উসকানি-প্ররোচনাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়।

উল্লেখ্য, তাইমের বাবা মো. ময়নাল হোসেন ভূঁইয়াও পুলিশের একজন কর্মকর্তা। তিনি রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে উপ-পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত। ঘটনার দিন খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ছেলের মরদেহ পেয়ে ফোনে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে ময়নাল বলেন, 'স্যার, আমার ছেলেটা মারা গেছে। বুলেটে ওর বুক ঝাঁঝরা হয়ে গেছে। স্যার, আমার ছেলে আর নেই।' এ সময় প্রশ্ন রেখে বলেছিলেন, 'একজনকে মারতে কতগুলো গুলি লাগে, স্যার?' পুলিশ কর্মকর্তার এমন কথা সেই সময় দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। 

সূত্র: ঢাকা পোষ্ট

সর্বশেষ

অনলাইন জরিপ

২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ || ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

উত্থাপিত ১৬টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই ও যুগোপযোগী করে সংসদে তোলার সরকারি সিদ্ধান্তকে আপনারা কি সমর্থন করেন ?

মোট ভোটদাতা: ১২৯জন

সর্বশেষ:

শিরোনাম: