সংগৃহীত
শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার উপ-পরিদর্শক ইকবাল হোসেন রিমান্ড শেষে আসামিদের আদালতে হাজির করে এ আবেদন করেন।
কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন- মো. ইয়াকুব হোসাইন রাজিব (২৬), আরাফাত মিয়া (২২), রিফাত হাওলাদার (১৯), হৃদয় হাসান (২১), ফাহিম (১৯), রাজিব হোসেন রানা (২৪), মো. ফিরোজ (২৬), মো. আরিফ (২৮), মো. ওমর ফারুক (২১), আব্দুল্লাহ আল আমান (১৯), মো. আব্দুল্লাহ আল নোমান (২১), মো. সোহানুর হোসেন শাহীন (২২), মো. হাসিব (১৯) ও মো. হাসিব মিয়া (২৩)।
গত মঙ্গলবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহর আদালত ১৪ আসামির তিন দিন এবং অপর নারী আসামিকে একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই হেলাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এদিন আদালতে ১১ আসামিপক্ষে আইনজীবী মো. কামাল হোসাইন মেহরাব জামিন আবেদন করলে তা নাকচ করেন আদালত। আটক রাখার আবেদনে বলা হয়, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। মামলার ব্যাপক তদন্ত চলছে। তথ্য যাচাই করা এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখা প্রয়োজন।
এর আগে গত সোমবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উত্তরা পশ্চিম থানার ৭ নম্বর সেক্টরের ২০ নম্বর সড়কে সাবেক কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শওকত হাসানুর রহমান রিমনের বাসায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়
ওইদিন পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় একটি কক্ষের টেবিলের ড্রয়ার থেকে স্বেচ্ছাসেবক লীগের বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া ইউনিয়ন কমিটির পদপ্রত্যাশী ২০ জনের নাম ও জীবনবৃত্তান্ত লেখা ২০ পৃষ্ঠা উদ্ধার করা হয়। পুলিশের দাবি, উদ্ধার কাগজপত্রে আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের লোগো, শেখ হাসিনা ও শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি এবং ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ লেখা ছিল। এ ঘটনায় উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়।
মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, ঘটনার মূলহোতা ও নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তিদের শনাক্ত, অর্থের জোগানদাতাদের সম্পর্কে তথ্য পাওয়া এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য সেদিন তাদর আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়।









