সংগৃহীত
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা বাজারের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত “অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি” ঘুড়কা শাখা। ব্যাংকটি স্থানান্তরের উদ্যোগকে ঘিরে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে। দীর্ঘদিন ধরে বাণিজ্যিক ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপদ ও সহজ ব্যাংকিং সেবা দিয়ে আসা শাখাটি বাজারের বাইরে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, একটি স্বার্থান্বেষী মহলের প্ররোচনায় ব্যাংকের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে এই স্থানান্তর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন দফতরে লিখিত অভিযোগ দেয়া হলেও তা আমলে নেয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন গ্রাহকেরা।
ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা,বাজারের মূল কেন্দ্র থেকে ব্যাংকটি সরিয়ে নেয়া হলে লেনদেনে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়বে এবং ব্যাংকের ব্যবসায়িক কার্যক্রমেও অদৃশ্য শক্তি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। ব্যাংক শাখার চলতি,স্থায়ী,সঞ্চয়ী,সিসি শতাধীক গ্রাহক ও ব্যবসায়ীমহল অগ্রণী ব্যাংক প্রধান কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
ব্যাংকের গ্রাহক (সি সি হিসাব নং-১৪৪) আব্দুস সালাম জানায়,ব্যাংকটি স্থানান্তরের গুণজনে ব্যবসায়ীরা অসন্তোষ ও হতাশায় ভুগছে,(সি সি হিসাব নং- ৬৩) কে.এম আমিনুল ইসলাম হেলাল বলেন,সলঙ্গার একজন বড় ব্যবসায়ী হিসেবে আমি এ ব্যাংকে লাখ লাখ টাকা লেনদেন করে থাকি।ব্যাংকটি স্থানান্তর করলে আমরা অনেকেই হিসাব ক্লোজ করে পাশের জনতা ব্যাংকে হিসাব খুলে লেনদেন শুরু করবো,(সি সি হিসাব নং-৫৭) মোজাম্মেল হক ও
(সি সি হিসাব নং-১৪) মনিরুজ্জামান জানান, অগ্রণী ব্যাংকটি বাজারের মধ্যস্থল হতে স্থানান্তর করে দুরে নিলে আমাদের লেনদেনে চরম সমস্যার সৃষ্টি হবে।এমনকি জীবনের ঝুকি হয়ে দাঁড়াবে,((সি সি হিসাব নং ১২২) আলাউদ্দিন সরকার বলেন,সলঙ্গা বাজারে অসংখ্য ব্যাংক থাকা সত্বেও অগণী ব্যাংক শাখাটি গ্রাহক সেবায় অনণ্য নজির স্থাপন করে আসছে। তাই শাখাটি বাজারের মূল পয়েন্ট হতে স্থানান্তর হলে ডিপোজিটারা অনেকেই মুখ ফিরিয়ে নেবে।
এদিকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ভিপি আয়নুল হক শাখাটি বর্তমান স্থানে বহাল রাখতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করেছেন বলেও জানা গেছে।
তবে বিষয়টি সম্পর্কে সিরাজগঞ্জের এজিএম মাহবুব জানান, স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত হেড অফিসের বিষয়। তাই সরেজমিনে তদন্তপূর্বক শাখাটি পূর্বের স্থানে বহাল রাখতে অগ্রণী ব্যাংকের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে সলঙ্গাবাসী জোর দাবি জানিয়েছেন।













