সংগৃহীত
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়তে শুরু করায় যমুনা সেতু দিয়ে যানবাহন পারাপারের সংখ্যা দ্রুত বেড়েছে। মাত্র একদিনের ব্যবধানে সেতু দিয়ে ১০ হাজারের বেশি অতিরিক্ত যানবাহন পারাপারের তথ্য জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
গতকাল সোমবার ১৬ মার্চ ছিল সরকারিভাবে শেষ কর্মদিবস। এদিন বিকেলের পর থেকেই রাজধানী ছাড়তে শুরু করেন কর্মজীবী মানুষ। এর প্রভাব পড়েছে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ যমুনা সেতুতেও।
যমুনা সেতু সাইট অফিস সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সেতু দিয়ে মোট ৩৫ হাজার ৬৫৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এদিন টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৮৪ লাখ ৪৯ হাজার ৭০০ টাকা।
এর মধ্যে পূর্বমুখী যানবাহনের সংখ্যা ছিল ২০ হাজার ৭৫টি এবং এসব যানবাহন থেকে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৪২ লাখ ৮৪ হাজার ৫০০ টাকা।
অন্যদিকে পশ্চিমমুখী যানবাহনের সংখ্যা ছিল ১৫ হাজার ৫৮৩টি এবং এদিক থেকে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৪১ লাখ ৬৫ হাজার ২০০ টাকা।
এর আগের দিন রোববার এ সেতু দিয়ে মোট ২৫ হাজার ৪৪০টি যানবাহন পারাপার হয়েছিল। ওইদিন সেতু থেকে টোল আদায় হয় ২ কোটি ৩০ লাখ ৬ হাজার ৯০০ টাকা।
তথ্য অনুযায়ী, রোববারের তুলনায় সোমবার যমুনা সেতু দিয়ে ১০ হাজার ২১৮টি বেশি যানবাহন পারাপার হয়েছে। ঈদকে কেন্দ্র করে ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়তে থাকায় আগামী দিনগুলোতে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ঈদকে সামনে রেখে সেতু দিয়ে যানবাহনের চাপ বাড়ছে। তবে সেতুর দুই প্রান্তে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এবং সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় ২২ জেলার মানুষের সড়কপথে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম হলো যমুনা সেতু। এসব জেলার যানবাহন রাজধানীসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলে যেতে হলে এই সেতু পার হয়েই চলাচল করতে হয়। বিকল্প কোনো সড়কপথ না থাকায় প্রতি বছর ঈদের আগে ও পরে এই সড়কে যানবাহনের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট










