সংগৃহীত
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ার ১৩ কিলোমিটার অংশে যানবাহনের তীব্র চাপ লক্ষ্য করা গেছে।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকাল থেকেই মহাসড়কের জামালদী মেঘনা সেতু থেকে বাউশিয়া পাখির মোড় পর্যন্ত কোথাও স্থায়ী যানজট লক্ষ্য করা না গেলেও সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত গাড়ির দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। যাত্রীবাহী বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রোবাস ও পণ্যবাহী ট্রাকের অতিরিক্ত চাপের কারণে বিভিন্ন স্থানে যানবাহন ধীরগতিতে চলাচল করছে। এর আগে গতকাল সোমবার অফিস শেষেই নাড়ির টানে গ্রামের পথে রওনা হন অনেকেই।
ঢাকা থেকে কুমিল্লাগামী তিশা পরিবহনের বাসযাত্রী রাশেদ মিয়া বলেন, স্বাভাবিক সময়ে যেখানে ৩-৪ ঘণ্টায় পৌঁছানো যায়, সেখানে এখন কখন পৌঁছাব বলা যাচ্ছে না। গাড়ি বারবার থেমে থেমে চলায় ছোট শিশু ও বৃদ্ধদের নিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
কুমিল্লাগামী আরেক যাত্রী শারমিন আক্তার বলেন, ঈদের আগে বাড়ি যাওয়ার আনন্দ থাকলেও সড়কের ধীরগতির কারণে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে বাসের ভেতরে দীর্ঘ সময় থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে।
জোনাকি বাসের চালক আব্দুল হালিম বলেন, ঈদ উপলক্ষে বিপুল সংখ্যক যানবাহন সড়কে নামায় গাড়ির চাপ বেড়ে গেছে। একসঙ্গে এত গাড়ি গতি বাড়ানো যাচ্ছে না। সামান্য ফাঁকা পেলেও সামনে গিয়ে আবার আটকে পড়তে হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদ সামনে রেখে আগামী কয়েকদিন মহাসড়কে যানবাহনের চাপ আরও বাড়তে পারে। তাই যাত্রীদের পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে যাত্রা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে ভবেরচর হাইওয়ে থানা পুলিশের ইনচার্জ (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ বলেন, ঈদযাত্রা স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে। তবে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কারণে মাঝে মধ্যে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ব.ম শামীম/আরকে
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট










.webp)