Warning: file_get_contents(http://ipwho.is/2600:1f28:365:80b0:496d:ff26:8ea3:8d3): failed to open stream: HTTP request failed! HTTP/1.1 429 Too Many Requests in /home/u483705982/domains/alokitosirajgonj.com/public_html/details.php on line 129

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩

চ্যাট জিপিটির সঙ্গে মিলিয়ে শিশুর নাম ‘চ্যাট ইপিতি’

চ্যাট জিপিটির সঙ্গে মিলিয়ে শিশুর নাম ‘চ্যাট ইপিতি’

সংগৃহীত

সময় এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির। এর ব্যবহার এখন সর্বত্র। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই যুগকে ‘শ্রদ্ধা’ জানাতে গিয়ে কলম্বিয়ার দম্পতি যে কাজ করেছেন, তাতে আপনার আক্কেলগুড়ুম হওয়ার জোগাড় হবে। তাঁরা তাঁদের সদ্যোজাত মেয়ের নাম রেখেছেন ‘চ্যাট ইপিতি’।

শুধু নাম রেখেই এই দম্পতি ক্ষান্ত হননি। জাতীয় নিবন্ধন কার্যালয়ে গিয়ে এই নামেই মেয়ের জন্মনিবন্ধন করিয়েছেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এই মা–বাবা তাঁদের মেয়ের নাম রেখেছেন ‘চ্যাট ইপিতি বাসতিদাস গেররা’।

এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই সন্তানের জন্য মা–বাবার এমন নাম বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত হতে পারেননি। এমন নামের কারণে মেয়েটিকে ভবিষ্যতে কোন পরিণতির মুখোমুখি হতে পারে, সেটাও অজানা।

যদিও কলম্বিয়ায় এ ধরনের ঘটনা একেবারেই নতুন নয়, বরং দেশটিতে জন্মনিবন্ধনের সরকারি কাগজপত্র ঘাঁটলে এমন উদাহরণ আরও পাওয়া যাবে। জাতীয় নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ অতীতে ‘মিপেরো’ (আমার কুকুর) বা ‘সাতানাস’ (শয়তান)-এর মতো নাম রাখা নিষিদ্ধ করেছেন। তাদের যুক্তি, এ ধরনের নাম স্পষ্টভাবে একজন মানুষের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করে।

যদিও কলম্বিয়ায় নাম রাখার বিষয়ে কোনো আইন নেই। দেশটিতে কোন নাম রাখা যাবে আর কোন নাম রাখা যাবে না, এমন কোনো আইনি বিধিনিষেধ বা তালিকাও নেই। তবে ন্যাশনাল সিভিল রেজিস্ট্রির কর্মকর্তাদের এমন ক্ষমতা দেওয়া আছে, কোনো নাম যদি সন্তানের মর্যাদা বা সুনাম ক্ষুণ্ন করতে পারে বলে তাঁরা মনে করেন, তবে তা নিবন্ধন করতে অস্বীকৃতি জানাতে পারেন।

লাতিন আমেরিকার দেশগুলোয় হলিউড তারকা বা অন্যান্য চলচ্চিত্রের বিভিন্ন চরিত্রের নামের সঙ্গে মিলিয়ে নাম রাখার প্রচলন রয়েছে। আর স্প্যানিশ উচ্চারণে প্রায়ই বিদেশি নামের বানানের পরিবর্তন হয়ে যায়, যা নামে অনন্য সংমিশ্রণ তৈরি করে।

অতীতে কলম্বিয়ায় সন্তানের নাম ‘ফেসবুক’ রাখার নজিরও আছে। তবে শিশুমনোবিজ্ঞানী ও সমাজবিজ্ঞানীরা শিশুদের এ ধরনের নাম রাখা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। অস্বাভাবিক নাম বা এমন নাম, যা ঠাট্টার সুযোগ করে দেয়, তা শিশুকে তাচ্ছিল্য বা উপহাসের পাত্র করে তুলতে পারে। এটা শিশুর আত্মমর্যাদা ও মানসিক সুস্থতাকে প্রভাবিত করতে পারে বলে তাঁরা মনে করেন।

সূত্র: প্রথম আলো

সর্বশেষ

অনলাইন জরিপ

২০ আগস্ট ২০২৬ || ৪ ভাদ্র ১৪৩৩

উত্থাপিত ১৬টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই ও যুগোপযোগী করে সংসদে তোলার সরকারি সিদ্ধান্তকে আপনারা কি সমর্থন করেন ?

মোট ভোটদাতা: ১২৯জন

সর্বশেষ:

শিরোনাম: