বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

দেবিদ্বারে গোমতী নদীর বাঁধ যেন কাঁঠালের রাজ্য!

দেবিদ্বারে গোমতী নদীর বাঁধ যেন কাঁঠালের রাজ্য!

দেবিদ্বারের গোমতী নদীর বেড়িবাঁধ যেন এক কাঁঠালের দুনিয়ায় পরিনত হয়েছে। নদীর বেড়িবাঁধ জুড়ে সারিবদ্ধভাবে রয়েছে কাঁঠালের গাছ। এতে বাঁধের যতদূর চোখ যায় শুধু কাঁঠালের গাছ। প্রতিটি গাছেই ঝুঁলছে কাঁচা পাকা শত শত কাঁঠাল। এই গাছগুলোর পাকা কাঁঠাল খেতে খুবই সুস্বাদু।

জানা যায়, কুমিল্লা দেবিদ্বারের গোমতী নদীর বেড়িবাঁধঘেঁষা গ্রাম সদর উপজেলার পালপাড়া, বুড়িচংয়ের ষোলনল, শিমাইল খাড়া, বালিখাড়া, ধামতী, রামনগর, হুরহুড়া, কামারখাড়া এলাকার সড়কগুলোর দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে শত শত কাঁঠালের গাছ রয়েছে। কোনো কোনো গাছে ৬০, কোনোটিতে ৫০টি কম বেশি সবগুলো গাছেই কাঁঠাল রয়েছে। এই গাছগুলোর মাধ্যে গালা ও খাজা দুইজাতের কাঁঠালই রয়েছে। রসালো ও সুস্বাদু হওয়ায় এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তাই স্থানীয় বাজারে কাঁঠালগুলো বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন গাছমালিকরা।

শিমাইলখাড়া গ্রামের কৃষক কামরুল ইসলাম বলেন, এখানে আমার ১৯টি গাছ রয়েছে। প্রতি বছরই গাছে প্রচুর পরিমানে কাঁঠাল আসে। এবছরও এসেছে। এখঅন থেকে আমরা কিছু খাই, কিছু বিক্রি করি ও মানুষকে বিলিয়ে দেই।

ষোলনল গ্রামের মনিরুজ্জামান বলেন, আমার দেখা মতে গত বছরের মতো এবার কাঁঠালগুলো বড় হয়নি। মৌসুমে হালকা বৃষ্টিপাত না হলেই এমন সমস্যা হয়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুমিল্লার উপ-পরিচালক ড. মিজানুর রহমান বলেন, জেলার সবগুলো উপজেলাতেই কম বেশি কাঁঠালের উৎপাদন হয়ে থাকে। তারমধ্যে লালমাই পাহাড়ে ও গোমতী নদীর বেড়িবাঁধে বেশি আবাদ হয়। এখানকার কাঁঠাল একটু দেড়িতে পাকার কারণে প্রথমদিকে বাইরের জেলা থেকে কাঁঠাল আসে। তবে এখানকার উৎপাদিত কাঁঠাল জেলার চাহিদা পূরনে সক্ষম।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

সর্বশেষ: