সংগৃহীত
ফুটবলের মহারণ ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হতে আর এক মাসও বাকি নেই। ক্লাব ফুটবলের মৌসুম শেষ হওয়ার পথে। তারপরই পুরোপুরিভাবে শুরু হয়ে যাবে বিশ্বকাপের জন্য খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি। কিন্তু লিওনেল মেসির প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে আরও অনেক আগে থেকে। ইন্টার মায়ামির জার্সিতে খেলার পাশাপাশি নিজের শরীরকে বিশ্বকাপের জন্য তৈরি করতে তীব্র খাটা-খাটুনি শুরু করেছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক।
কিংবদন্তিতুল্য ক্যারিয়ারের শেষ লগ্নে প্রবেশ করছেন মেসি। আর কিছুই তার পাওয়ার নেই। ২০২২ সালে অধরা বিশ্বকাপও জিতেছেন। এখন যা পাবেন, তা সবই বাড়তি। কিন্তু তারপরও বিশ্বকাপকে হালকা করে দেখছেন না আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী। বরং শারীরিক পরিশ্রম আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন এলএমটেন।
মেসির ক্লাব ও আন্তর্জাতিক সতীর্থ রদ্রিগো ডি পল জানালেন, আর্জেন্টিনার শিরোপা ধরে রাখার মিশনে নিজেদের শরীরকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে রাখতে কঠোর পরিশ্রম করছেন তারা দুজনে।
বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ শিরোপা পেলেও নিজেকে তৈরি করতে মেসি পর্দার আড়ালে থেকে জীবনের সবচেয়ে কঠিন অনুশীলন করছেন। ক্লাবের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে নিয়মিত তো অনুশীলন করেনই, জাতীয় দলের হয়ে সেরা পারফরম্যান্সের জন্য ফিট থাকতে ডাবল ট্রেনিং শুরু করেছেন।
লু দেল পোলো-এর সঙ্গে সাক্ষাৎকারে ডি পল জানালেন, গত কয়েক মাস ধরে তারা বিশেষ ফিটনেস পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন। এই মিডফিল্ডার বললেন, ‘দুই-তিন মাস আগে থেকে, ক্লাবে আমরা যা করি তার বাইরে আমাদের একটি নিজস্ব ট্রেনিং প্ল্যান (প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা) রয়েছে এবং সেরা শারীরিক অবস্থায় পৌঁছানোর জন্য আমরা দুজনে নিজেদের উজাড় করে দিচ্ছি।’ তার আরও কথা, ‘আমরা নিজেদের জন্য একটি ডাবল শিফটের (দ্বিগুণ পরিশ্রমের) প্রস্তাব করেছি এবং সেখানে আমাদের নিজস্ব ট্রেইনার রয়েছেন, আর আমরা আমাদের সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করছি।’
চলতি এমএলএস মৌসুমে মায়ামিতে দারুণ ফর্মে আছেন মেসি, করেছেন ১২ গোল ও চার অ্যাসিস্ট। গতকাল ঘরের মাঠ নু স্টেডিয়ামে পোর্টল্যান্ড টিম্বার্সের বিপক্ষে প্রথম জয় পেয়েছে মায়ামি। একটি গোল করার পাশাপাশি অ্যাসিস্টও রয়েছে মেসির।
তিন ড্র ও এক হারের পর মায়ামি তাদের নতুন ভেন্যুতে প্রথম জয় পেল। বিশ্বকাপের আগে মায়ামির আরেকটি ম্যাচ বাকি আছে। হেরনদের সঙ্গে ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের বিপক্ষে ম্যাচ খেলে আর্জেন্টিনার ক্যাম্পে যোগ দেবেন মেসি ও ডি পল।
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট














