সংগৃহীত
ম্যাচের অন্তিম মুহূর্ত। কর্নার পেলো ওয়েস্ট হ্যাম। অলি স্কার্লসের কর্নারে বল উড়ে গেল আর্সেনালের বক্সের মধ্যে। জটলার মধ্যে থেকে আর্সেনাল বল বাইরে পাঠানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হলো। ক্যালাম উইলসনের শটে বল গোললাইন পেরিয়ে গেল।
রেফারি ক্রিস কাভানাঘ গোলের বাঁশি বাজালেও ভিএআর অফিসিয়াল ড্যারেন ইংল্যান্ড তাকে মনিটর দেখতে বলেন। দীর্ঘ পর্যালোচনা শেষে দেখা গেছে, গোলটি হওয়ার আগে পাবলো ফাউল করেন আর্সেনাল গোলকিপার দাভিদ রায়াকে। গোলটি বাতিল হয়, জয়ের উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে সফরকারী খেলোয়াড়রা।
৯৪তম মিনিটের গোলটি হলে বড় ধরনের ধাক্কা খেত আর্সেনাল। খেলার আট মিনিট বাকি থাকতে লিয়ান্দ্রো ট্রসার্ডের গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর হোঁচট খেতে বসেছিল তারা। শেষ পর্যন্ত ভিএআরের সিদ্ধান্তে জয়ের হাসি হাসে মিকেল আর্তেতার দল। আর্সেনাল কোচ ভিএআরের এই সিদ্ধান্তকে ‘সাহসী’ আখ্যা দিয়েছেন, যেটা বদলে দিতে পারে ইতিহাস। একই সঙ্গে গোলটি বাতিল হওয়ায় ম্যাচ অফিসিয়ালদের অভিনন্দন জানালেন আর্তেতা।
নাটকীয় এই জয়ে শিরোপার বেশ কাছে আর্সেনাল। বাকি দুটি ম্যাচ জিতলেই হয়, ২২ বছর পর ইংল্যান্ডের চ্যাম্পিয়ন হবে তারা। ম্যাচ শেষে রেফারির প্রশংসা করে আর্তেতা বললেন, ‘রেফারির এই সিদ্ধান্ত আমি মনে করি খুব সাহসী। কিন্তু পুরো মৌসুম জুড়ে যা বলে আসছে তারা, তার সঙ্গে খুবই সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই যখন আমার সমালোচনা করার প্রয়োজন পড়েছে, তখন আমি করেছি। রেফারিকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার জন্য আমাকে অবশ্যই তাদের প্রশংসা করতে হবে।’
কোচ বললেন, ‘আলোর ঝলকানি আর বিশৃঙ্খলা থেকে দূরে (ভিএআর রুমের শান্ত পরিবেশে), এটি তাকে (রেফারিকে) সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য স্বচ্ছতা প্রদান করে। আর আপনি যখন ঘটনাটিকে সেই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখবেন, আমি মনে করি এটি একটি স্পষ্ট ভুল ছিল।’
রেফারিদের কাজ নিয়ে নতুন উপলব্ধি হয়েছে আর্তেতার, ‘গোলটা বাতিল করতেই হতো। তাই অভিনন্দন, কারণ তারা খুবই কঠিন পরিস্থিতিতে বড় একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সম্ভবত আজ আমি উপলব্ধি করলাম রেফারির কাজ কত কঠিন ও কত বড়। কারণ আমরা এমন এক মুহূর্ত নিয়ে কথা বলছি, যেটা দুটি বড় ক্লাবের ইতিহাস, গতিবিধি নির্ধারণ করে দিতে পারে, যারা জানপ্রাণ দিয়ে তাদের লক্ষ্য অর্জনের জন্য লড়ছে। আর চাপটা বিশাল।’
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট

.webp)












