বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩

ধোনির এক ছক্কাতেই বদলে যায় ইঞ্জিনিয়ার রঘুর জীবন

ধোনির এক ছক্কাতেই বদলে যায় ইঞ্জিনিয়ার রঘুর জীবন

সংগৃহীত

২০১১ সালে মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়েতে মহেন্দ্র সিং ধোনির সেই ছক্কাটি কেবল ভারতকে বিশ্বচ্যাম্পিয়নই করেনি, বরং একজন ভবিষ্যৎ ক্রিকেটারের স্বপ্নকেও জাগিয়ে তুলেছিল। তিনি হলেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের লেগ স্পিনার রঘু শর্মা। ৩৩ বছর বয়সে আইপিএলে অভিষেক হওয়া এই ক্রিকেটার পেশায় একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হলেও ধোনির সেই একটি শট তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল।

রঘু শর্মার বেড়ে ওঠা ডাক্তার এবং ইঞ্জিনিয়ারদের পরিবারে। তিনি নিজেও একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। স্পোর্টসের সাথে পরিবারের কোনো যোগসূত্র না থাকায় ক্রিকেটে আসাটা তার জন্য সহজ ছিল না। ২১ বছর বয়সে যখন অধিকাংশ ক্রিকেটারের বয়স ভিত্তিক পর্যায় শেষ হয়ে যায়, ঠিক তখন রঘু ক্রিকেট খেলা শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন।

শুরুর দিকে রঘুর ওজন ছিল ১০২ কেজি। তার বাবাও বিশ্বাস করতে পারেননি যে এত ওজন নিয়ে তার ছেলে কোনোদিন পেশাদার ক্রিকেট খেলতে পারবে। কিন্তু শেন ওয়ার্ন ও ইমরান তাহিরকে আদর্শ মেনে রঘু কঠোর পরিশ্রম শুরু করেন। ক্রিকেটের পাঠ নিতে তিনি শ্রীলঙ্কা ও ইংল্যান্ডেও পাড়ি জমান।

২০২৫ সালে ইনজুরি আক্রান্ত বাঁহাতি স্পিনার ভিগনেশ পুথুরের বিকল্প হিসেবে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স তাকে দলে ভেড়ায়। গত আসরে কোনো ম্যাচ খেলার সুযোগ না পেলেও ম্যানেজমেন্ট তার ওপর আস্থা রেখে ২০২৬ সালের জন্য রিটেইন করে। চলতি মাসে চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে তার আইপিএল অভিষেক হয়। নিজের দ্বিতীয় ম্যাচে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের অক্ষত রঘুবংশীকে আউট করে তিনি তার প্রথম আইপিএল উইকেট শিকার করেন।

রঘু শর্মার এই উত্থান প্রমাণ করে যে, সফল হওয়ার জন্য বয়স কেবলই একটি সংখ্যা মাত্র। ধোনির সেই ছক্কা থেকে পাওয়া জেদই আজ তাকে ইঞ্জিনিয়ারিং ডেস্ক থেকে ওয়াংখেড়ের সবুজ ঘাসে নিয়ে এসেছে।

সূত্র: ঢাকা পোষ্ট

সর্বশেষ

অনলাইন জরিপ

০৬ মে ২০২৬ || ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩

উত্থাপিত ১৬টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই ও যুগোপযোগী করে সংসদে তোলার সরকারি সিদ্ধান্তকে আপনারা কি সমর্থন করেন ?

মোট ভোটদাতা: ১২৯জন