রোববার, ৩১ আগস্ট ২০২৫, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২

অল্প খরচে অধিক লাভজনক হওয়ায় তাড়াশে বাড়ছে গমের চাষ ( ভিডিও)

অধিক খাদ্য শস্য উৎপাদনের লক্ষে শস্য ভান্ডার খ্যাত চলনবিল অধ্যুষিত সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা প্রতি বছরই অর্থকরী ফসল গমের চাষ বেড়েই চলছে। এতে  উপজেলায় কৃষি ব্যবস্থায় ঘটছে ব্যাপক পরিবর্তন।

অল্প খরচে অধিক লাভজনক আর উন্নতজাতের এবং অর্থকরী ফসল হওয়ায় বোরো চাষের পাশাপাশি গম চাষে ঝুঁকছেন এ অঞ্চলের কৃষকরা।

অধিকাংশ কৃষক আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অল্প খরচে অধিক লাভজনক উন্নতজাতের খাদ্য শস্য গম চাষ করছেন এমনটাই জানালেন  উপজেলা সগুনা ইউনিয়নের বিন্নাবাড়ি গ্রামের কৃষক আলীমুদ্দিন।

তিনি বলেন, গত কয়েক বছর ধরে গমের বাম্পার ফলন ও অধিক লাভজনক ফসল হওয়ায় এ উপজেলার সচেতন কৃষকরা বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল (উফশী) জাতের গম চাষে ঝুকছেন।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে গত বছরের তুলনায় এ বছরও প্রতিটি গম চাষি অর্থিক ভাবে অধিক মুনাফা লাভ করবে বলে মনে করছে উপজেলা কৃষি বিভাগ।

উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গম চাষ মূলত শীত প্রধান দেশের অর্থকরী ফসল হলেও আমাদের দেশে গম আবাদের ইতিহাস খুব বেশি দিন আগের নয়। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরসহ গম গবেষণা কেন্দ্র দেশে গম আবাদে অগ্রণী ভূমিকা পালন করলেও কৃষকদের অবদান এক্ষেত্রে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন কৃষিবিদগণ।

এ অঞ্চলে সাধারনতঃ  বারি-৩২ ও ৩৩  জাতের গমে পোকার আক্রমণ কম হওয়ার ফলে ফলন ভালো হয়। তুলনামূলক ভাবে অন্য জাতের গমের চেয়ে এসব জাতের গম চাষে উৎপাদন ব্যয় কম। ফলে কৃষকরা বারি-৩২ ও ৩৩ জাতের গম চাষ করে বেশি লাভবান হচ্ছেন।

সর্বশেষ: