Warning: file_get_contents(http://ipwho.is/216.73.216.136): failed to open stream: HTTP request failed! HTTP/1.1 429 Too Many Requests in /home/u483705982/domains/alokitosirajgonj.com/public_html/details.php on line 129

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩

অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় এক অইতিহাসিক মাইলফলক এল ডিসি উত্তরণের প্রস্ততি সময়সীমা বৃদ্ধি

অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় এক অইতিহাসিক মাইলফলক এল ডিসি উত্তরণের প্রস্ততি সময়সীমা বৃদ্ধি

সংগৃহীত

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে (UNGA) বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (LDC) বা এলডিসি ক্যাটাগরি থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিমূলক সময়কাল আরও তিন বছর বাড়িয়ে ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করার প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হওয়া এক অত্যন্ত আনন্দদায়ক ও যুগান্তকারী ঘটনা। বর্তমান সরকারের দূরদর্শী কূটনৈতিক সাফল্য এবং সুনির্দিষ্ট অর্থনৈতিক কৌশলের ফলেই এই অভূতপূর্ব অর্জন সম্ভব হয়েছে।

বিশ্ব অর্থনীতিতে চলমান অনিশ্চয়তা, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, এবং সাপ্লাই চেইন বা সরবরাহ শৃঙ্খলের বিভিন্ন ঝুঁকির প্রেক্ষাপটে বর্তমান সরকার গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালে এই অতিরিক্ত সময়ের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন জানিয়েছিল। জাতিসংঘের উন্নয়ন নীতি সংক্রান্ত কমিটি (CDP) এবং পরবর্তীতে অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের (ECOSOC) অনুকূল সুপারিশের পথ বেয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের এই সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থারই এক অবিসংবাদিত প্রমাণ।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন জেড. খান অত্যন্ত সময়োপযোগী ও উদ্দীপনামূলক মন্তব্যে বলেছেন যে, আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়া বা নিয়মের কারণে নয়, বরং এটি আমাদের জনগণের প্রাণের আকাঙ্ক্ষা এবং জাতীয় অপরিহার্যতা, যা অর্জনে বর্তমান সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সরকারের এই দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং সুনির্দিষ্ট ৩ বছর মেয়াদী কর্মপরিকল্পনা বা রোডম্যাপ দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি আরও মজবুত করবে।

এই বর্ধিত সময় বা সুযোগ বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত আশীর্বাদস্বরূপ। এর ফলে দেশটি নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হবে:

কাঠামোগত দুর্বলতা দূরীকরণ:অর্থনৈতিক কাঠামোগত দুর্বলতাগুলো সফলভাবে মোকাবিলা করার পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যাবে।

রপ্তানি বহুমুখীকরণ: রপ্তানি পণ্যের বাজার ও বৈচিত্র্য বাড়িয়ে বৈশ্বিক বাজারে দেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে।

অবকাঠামোগত উন্নয়ন:লজিস্টিকস ও অবকাঠামোগত খাতের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

জরুরি অর্থনৈতিক সংস্কার:এলডিসি-পরবর্তী আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সুযোগ-সুবিধা হারানোর ধাক্কা সামলে একটি দীর্ঘমেয়াদী ও টেকসই অর্থনীতি গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো সূচারুভাবে বাস্তবায়ন করা যাবে।

সর্বোপরি, এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত বাংলাদেশকে একটি আরও গতিশীল, আত্মনির্ভরশীল ও প্রতিযোগিতামূলক অর্থনীতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথকে সুগম করেছে। বর্তমান সরকারের বিচক্ষণ নেতৃত্ব এবং সুদূরপ্রসারী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা দেশকে একটি সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের দিকে ধাবিত করছে—যা সমগ্র জাতির জন্যই এক গর্বের বিষয়।

#LDC #UNGA #Bangladesh #News

#Export

সর্বশেষ

অনলাইন জরিপ

৩১ অক্টোবর ২০২৬ || ১৬ কার্তিক ১৪৩৩

উত্থাপিত ১৬টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই ও যুগোপযোগী করে সংসদে তোলার সরকারি সিদ্ধান্তকে আপনারা কি সমর্থন করেন ?

মোট ভোটদাতা: ১২৯জন

সর্বশেষ:

শিরোনাম: