সংগৃহীত
পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) শুরুর আগেও অফ-ফর্মে ছিলেন পেশোয়ার জালমির অভিজ্ঞ ব্যাটার বাবর আজম। কিন্তু পিএসএল শুরুর পরই যেন ব্যাটে আবারও নিজেকে খুঁজে পেয়েছেন তিনি। টুর্নামেন্টের প্রথম পর্বে একটি সেঞ্চুরি করেছিলেন বাবর। কোয়ালিফায়ার ম্যাচে গতকাল মঙ্গলবার রাতেও করেছেন আরেকটি শতক। তাতেই হয়েছে এক অনন্য রেকর্ড। আর বাবরের রেকর্ড গড়ার রাতে ফাইনালে উঠেছে পেশোয়ার ।
ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে বাবর আজমের সেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটের বিনিময়ে ২২১ রান করে পেশোয়ার জালমি। জবাবে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১৫১ রানেই গুটিয়ে যায় ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের ইনিংস। ফলে ৭০ রানের জয় পেয়ে যায় পেশোয়ার।
চলতি মৌসুমে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পূর্ণ করার মাধ্যমে পিএসএলের ইতিহাসে চতুর্থ শতক তুলে নিয়েছেন বাবর আজম। তাতেই উসমান খানের সঙ্গে যৌথভাবে পিএসএলের সর্বোচ্চ সেঞ্চুরিয়ান বনে গেছেন তিনি। এছাড়া টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ক্রিস গেইলের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক এখন বাবর। তার সেঞ্চুরির সংখ্যা ১৩টি। আর গেইলে করেছেন ২২টি সেঞ্চুরি।
করাচিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে পেশোয়ারকে ভালো সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার বাবর আজম ও মোহাম্মদ হারিস। দ্বিতীয় উইকেটে কুশল মেন্ডিসকে নিয়েও একটি দুর্দান্ত জুটি গড়েন বাবর। আর শেষ দিকে ঝোড়ো ইনিংস খেলেন অ্যারন হার্ডি। তাতেই রানের পাহাড় গড়ে পেশেয়ার।
দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১০৩ রান করেন বাবর। মাত্র ৫৯ বলে খেলা তার ইনিংসটি ১২টি চার ও চারটি ছয়ে সাজানো। এছাড়া কুশল মেন্ডিস ৪১, মোহাম্মদ হারিস ৩৫ এবং অ্যারন হার্ডি ২০ রান করেন।
জবাবে করতে নেমে শুরুর দিকে রান রেট ঠিক রেখেছিল ইসলামমাবাদ ইউনাইটেড। কিন্তু একের পর এক উইকেট পতনের ধাক্কা সামলে নিতে পারেনি তারা। ফলে ক্রমান্বয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যেতে থাকে শাদাব খানের দল। শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানের হার মেনে নিতে হয় ইউনাইটেডকে। সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন সামির মিনহাস। ২৫ রান করেন শাদাব খান। এছাড়া ইমাদ ওয়াসিম ২২ ও ডেভন কনওয়ে ২০ রান করেন।
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট




.webp)





