বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩

৬৪ জেলায় ‘স্পোর্টস ভিলেজ’ ও ৪৫০ উপজেলায় ইনডোর স্টেডিয়াম করবে সরকার

৬৪ জেলায় ‘স্পোর্টস ভিলেজ’ ও ৪৫০ উপজেলায় ইনডোর স্টেডিয়াম করবে সরকার

সংগৃহীত

দেশের ক্রীড়া খাতের আমূল পরিবর্তন ও তৃণমূল পর্যায়ে দক্ষ খেলোয়াড় সৃষ্টির লক্ষ্যে ৬৪ জেলায় ইনডোর সুবিধাসম্পন্ন ‘স্পোর্টস ভিলেজ’ এবং ৪৫০টি উপজেলায় আধুনিক ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণ করবে সরকার। 

সোমবার (২৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য এ. এম মাহবুব উদ্দিনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী মো. আমিনুল হক সরকারের এই মহাপরিকল্পনার কথা জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে মন্ত্রী ক্রীড়া খাতের উন্নয়নে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন।

ক্রীড়ামন্ত্রী জানান, খেলাধুলাকে কেবল বিনোদন নয় বরং পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সরকার বদ্ধপরিকর। এর অংশ হিসেবে জাতীয় শিক্ষাক্রমে চতুর্থ শ্রেণি থেকেই খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টস কর্মসূচির আওতায় ১২ থেকে ১৪ বছরের প্রতিভাবান ক্রীড়া শিক্ষার্থীদের বিশেষ বৃত্তি প্রদান করা হবে। তৃণমূল পর্যায়ে দক্ষ জনবল তৈরিতে দেশের সব উপজেলায় ক্রীড়া অফিসার ও ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং প্রতিটি বিভাগীয় শহরে বিকেএসপির শাখা প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

ক্রীড়া খাতের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ওয়ার্ডভিত্তিক খেলার মাঠ তৈরি ও বিদ্যমান মাঠগুলো দখলমুক্ত করার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলার সুযোগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশে ক্রীড়া সরঞ্জাম তৈরির শিল্প বা ইন্ডাস্ট্রি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই খাতে অবকাঠামো উন্নয়ন ও বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধিতেও সরকার কাজ করে যাচ্ছে। স্পোর্টস ভিলেজগুলোর মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট এলাকায় মাঠ, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে যা বিশ্বমানের অ্যাথলেট তৈরিতে সহায়ক হবে।

ক্রীড়াঙ্গনের দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা দূর করার বিষয়ে মন্ত্রী কঠোর বার্তা দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বা বিসিবির বিরুদ্ধে উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগ তদন্তে এরইমধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী দ্রুততম সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া যেসব ক্রীড়া ফেডারেশন বা সংস্থার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধেও তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলোতে বর্তমানে অ্যাডহক কমিটি গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে এবং আগামী তিন মাসের মধ্যে নির্বাচনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে ক্রীড়াঙ্গনে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা হবে।

সূত্র: ঢাকা পোষ্ট

সর্বশেষ

অনলাইন জরিপ

৩০ এপ্রিল ২০২৬ || ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩

উত্থাপিত ১৬টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই ও যুগোপযোগী করে সংসদে তোলার সরকারি সিদ্ধান্তকে আপনারা কি সমর্থন করেন ?

মোট ভোটদাতা: ১২৯জন