সংগৃহীত
বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে খোদ নির্বাচন কার্যালয়ের ভেতরেই হট্টগোল ও ধস্তাধস্তিতে জড়িয়েছেন বিএনপির দুই নেতা। দলীয় প্রার্থীর উপস্থিতিতেই এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, নির্বাচনী মাঠে কোনো ধরনের আচরণবিধি লঙ্ঘন বা ফৌজদারি অপরাধ ঘটলে প্রচলিত আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্প্রতি নিজ কার্যালয়ে এক আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার এসব কথা বলেন।
গত সোমবার বগুড়া জেলা নির্বাচন অফিসের ভেতরে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর তালুকদার হেনা এবং জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ তাহা উদ্দিন নাহিন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় নিজ দলের দুই নেতার মধ্যে এই ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।
মনোনয়নপত্র জমা দিতে গিয়ে দুই পক্ষের এই বিশৃঙ্খলার বিষয়ে কমিশনার বলেন, নির্বাচনপূর্ব সময়ে কোনো বিশৃঙ্খলা হলে তা আচরণবিধির আওতায় পড়বে। বিশেষ করে প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে গেজেট নোটিফিকেশন পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে বিদ্যমান নির্বাচনী আইন ও পেনাল কোড অনুযায়ী মামলা হবে।
মাঠে নিয়োজিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি জানান, তফসিল ঘোষণার পর যেকোনো অভিযোগ এলে বা সরাসরি কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে ম্যাজিস্ট্রেটদের তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৯ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। এই উপনির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ছিল ২ মার্চ। পরবর্তী ধাপগুলো হলো– ৫ মার্চ মনোনয়নপত্র বাছাই, ৬ থেকে ১০ মার্চ আপিল দায়ের, ১১ মার্চ আপিল নিষ্পত্তি এবং ১৪ মার্চ প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়। এরপর ১৫ মার্চ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে এবং ৯ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) অনুষ্ঠিত হবে কাঙ্ক্ষিত ভোটগ্রহণ।
এসআর/বিআরইউ
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট
.jpg)








