
সংগৃহীত
পেট ভরানোর জন্য হালকা খাবার হিসেবে শুকনো ফল বেশ কার্যকর। এর মধ্যে খেজুর এবং ডুমুর অন্যতম। উভয়েই পুষ্টিগুণে ভরপুর। দেহের শর্করা ছাড়াও ফাইবারের চাহিদা পূরণে খেজুর এবং শুকনো ডুমুর উপকারী। কিন্তু দেহের মেদ কমানো এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কোনটি বেশি কার্যকরী?
খেজুর বনাম ডুমুর
খেজুরের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে শর্করা থাকে। তাই দেহে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে চিনির বিকল্প হিসেবে খেজুর উপকারী। অন্যদিকে ডুমুরের স্বাদ একটু কষাটে হতে পারে। তবে খেজুরের তুলনায় ডুমুরের মধ্যে ফাইবারের পরিমাণ বেশি থাকে। দু’টি ফলের মধ্যেই একাধিক গুণ উপস্থিত। কিন্তু তাদের স্বাদ, ফাইবারের উপস্থিতির ওপর নির্ভর করে ভিন্ন উদ্দেশ্যে খেজুর ও ডুমুরকে ব্যবহার করা যায়।
গ্লাইসেমিক ইনডেস্ক
খেজুর খেতে মিষ্টি। তাই তার গ্লাইসেমিক ইনডেস্কও বেশি হয়। অর্থাৎ দ্রুত তা রক্তে শর্করার পরিমাণ বৃদ্ধি করে। অন্য দিকে ডুমুরের গ্লাইসেমিক ইনডেস্ক কম। তাই খুব ধীরে ধীরে হজম হয় এবং রক্তে শর্করার ওপরে খুব একটা প্রভাব ফেলে না।
ওজন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা
১০০ গ্রাম খেজুরের মধ্যে প্রায় ২৮০ থেকে ৩০০ কিলোক্যালোরি শক্তি থাকে। অন্য দিকে সমপরিমাণ ডুমুরের মধ্যে ক্যালোরির পরিমাণ ৭০ থেকে ৭৫। অর্থাৎ ওজন নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে খেজুরের তুলনায় ডুমুর বেশি কার্যকরী। খেজুরের তুলনায় ডুমুরের মধ্যে ফাইবারের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই পেটও বেশি ক্ষণ ভর্তি থাকে। হজমশক্তি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও খেজুরের তুলনায় ডুমুর বেশি উপকারী।
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট