Warning: file_get_contents(http://ipwho.is/216.73.216.144): failed to open stream: HTTP request failed! HTTP/1.1 429 Too Many Requests in /home/u483705982/domains/alokitosirajgonj.com/public_html/details.php on line 129

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ করল বাংলাদেশ

ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ করল বাংলাদেশ

সংগৃহীত

ভারত থেকে ইলিশ আমদানির জন্য দেওয়া ১০৩টি অনাপত্তি সনদ (এনওসি) বাতিল করেছে মৎস্য অধিদপ্তর। এর ফলে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ইলিশ আমদানি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। নতুন করে আর কোনো ইলিশ আমদানির অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। যদিও ওয়ার্ড ট্রেড অর্গানাইজেশনের নীতিমালা অনুযায়ী কোনো পণ্য ঘোষণা দিয়ে এভাবে আমদানি বন্ধের সুযোগ নেই৷

মৎস্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনকের স্বাক্ষরিত চিঠিতে গত মঙ্গলবার ১০৩টি এনওসি বাতিলের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এরপর এসব সনদের আওতায় ভারত থেকে ইলিশ আমদানির প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়। বেনাপোল স্থলবন্দরের কোয়ারেন্টিন ও মৎস্য মান নিয়ন্ত্রণ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বুধবার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি পেয়েছেন।

বেনাপোল স্থলবন্দরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে ভারত থেকে বাংলাদেশে ১ হাজার ৭৩৯ দশমিক ৫০ টন ইলিশ আমদানির অনুমতি দিয়েছিল মৎস্য অধিদপ্তর। এর মধ্যে বুধবার পর্যন্ত বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৫৩৫ টন ইলিশ এসেছে। আমদানি করা ইলিশের পুরোটাই ভারতের গুজরাটের ভারুচ এলাকা থেকে এসেছে বলে মৎস্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

এর আগে দেশে উৎপাদিত ইলিশসহ রুই, কাতলা, আইড় ও বোয়ালের মতো দেশীয় প্রজাতির মাছ আমদানি না করে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়ানোর জোর সুপারিশ করেছে মৎস্য অধিদপ্তর। তবে এ বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে বারবার চিঠি পাঠানো হলেও কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

ঢাকা পোস্টের হাতে আসা নথি ও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১২ অক্টোবর মৎস্য অধিদপ্তরের তৎকালীন মহাপরিচালক (ডিজি) আবদুর রউফ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে দেশীয় মাছের আমদানি নিয়ন্ত্রণ এবং ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার অনুরোধ জানানো হয়।

মৎস্য অধিদপ্তর থেকে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠিতে দেশের মৎস্য খাতের অগ্রগতির বিভিন্ন চিত্র তুলে ধরে দেশীয় মাছ আমদানি নিয়ন্ত্রণের সপক্ষে যুক্তি দেওয়া হয়। চিঠিতে বলা হয়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশে মোট ৫০.১৮ লাখ টন মাছ উৎপাদিত হয়েছে, যার মধ্যে ৩৭.০৬ শতাংশই (১৮.৬০ লাখ টন) কার্পজাতীয় মাছ। এছাড়া ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৯০ হাজার ৬২০ টন মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানি করে ৬১৪৪ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়েছে। বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১২ শতাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই খাতের ওপর নির্ভরশীল।

এদিকে ইলিশসহ যেকোনো দেশীয় মাছের আমদানি পুরোপুরি বন্ধের ক্ষেত্রে প্রধান বাধা হিসেবে দেখা দিচ্ছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিধি। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ‘জেনারেল অ্যাগ্রিমেন্ট অন ট্যারিফস অ্যান্ড ট্রেড’-এর ১১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সদস্য দেশগুলো শুল্ক বা কর ছাড়া আমদানি-রপ্তানির ওপর কোটা, লাইসেন্স বা কোনো প্রকার শর্ত জুড়ে কোনো পণ্যের ওপর ঢালাও পরিমাণগত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে না।

সূত্র: ঢাকা পোষ্ট

সর্বশেষ

অনলাইন জরিপ

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ || ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

উত্থাপিত ১৬টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই ও যুগোপযোগী করে সংসদে তোলার সরকারি সিদ্ধান্তকে আপনারা কি সমর্থন করেন ?

মোট ভোটদাতা: ১২৯জন

সর্বশেষ:

শিরোনাম: