সংগৃহীত
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে উত্তরাঞ্চলগামী যাত্রী ও পশুবাহী যানবাহনের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ। ঈদযাত্রাকে নির্বিঘ্ন রাখতে জেলার গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কগুলোতে প্রায় ৬০০ পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।
সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত সিরাজগঞ্জের মহাসড়কগুলো ঈদের সময় সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত হয়ে ওঠে। বিশেষ করে যমুনা সেতু হয়ে উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার যানবাহন চলাচল করায় এ অঞ্চলের সড়কগুলোতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম সানতু বলেন, সিরাজগঞ্জ জেলায় আমরা তিনটি কানেকটিং সড়ককে প্রাধান্য দিয়ে থাকি। যমুনা সেতু পশ্চিম থেকে বগুড়া, পাবনা ও তাড়াশের শেষ নাটোরের সীমান্ত পর্যন্ত। এই তিনটি সড়কের নিরাপত্তা বজায় রাখাকে আমরা বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকি।
তিনি আরও বলেন, গত ঈদুল ফিতরে পুলিশ সদস্য ও সংশ্লিষ্টরা যেভাবে কাজ করেছেন, ঈদুল আজহাতেও সেভাবেই কাজ করবেন। যেহেতু কোরবানির পশু পরিবহনের বিষয় রয়েছে, আমরা সেটিকে মাথায় রেখে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করছি। তারা যেন নিরাপদে যেতে পারে, সেজন্য যাবতীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, গত ঈদুল ফিতরে ৫৮৫ জন পুলিশ সদস্য সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করণের জন্য ছিলেন৷ এবারের ঈদুল আজহাতে ৬০০-এর মতো ফোর্স নিযুক্ত করব।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঈদযাত্রায় যানজট নিয়ন্ত্রণ, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পশুবাহী ট্রাকের চলাচল ব্যবস্থাপনা এবং যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোও সমন্বিতভাবে কাজ করবে। বিশেষ করে যমুনা সেতুর পশ্চিম সংযোগ মহাসড়ক, বগুড়া মহাসড়ক, পাবনা মহাসড়ক এবং তাড়াশ হয়ে নাটোর সীমান্ত পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বাড়তি নজরদারি থাকবে।
উল্লেখ্য, দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় ২২ জেলার মানুষের সড়কপথে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম হলো যমুনা সেতু। এসব জেলার যানবাহন রাজধানীসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলে যেতে হলে এই সেতু পার হয়েই চলাচল করতে হয়। বিকল্প কোনো সড়কপথ না থাকায় প্রতি বছর ঈদের আগে ও পরে এই সড়কে যানবাহনের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট




.webp)





