সংগৃহীত
শাল্লা উপজেলার ছায়ার হাওর ও উদগল হাওরের মাঝখানের জয়পুর বাঁধ শনিবার গভীর রাতে কে বা কারা কেটে দেয়। এতে ঝুঁকিতে পড়ে বিশাল ছায়ার হাওরের বোরো ধান। রাত থেকে জলাবদ্ধতায় ডুবে থাকা উদগল হাওরের পানি নামতে থাকে ছায়ার হাওরে। সকালে ছায়ার হাওরপাড়ের কৃষকরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানালে, স্থানীয় কৃষকদের সহায়তায় ইউএনও এক্সকেভেটর লাগিয়ে কাটা অংশ বন্ধ করে দেন।
স্থানীয়রা জানান, শনিবার রাতে উপজেলার জয়পুর নামক স্থানের বাঁধ রাতের আঁধারে কেটে দেয় দুর্বৃত্তরা। তবে প্রশাসনের তড়িৎ পদক্ষেপে রক্ষা পেয়েছে হাওরের ধান। বাঁধটি হাওরের ফসলরক্ষার পাশাপাশি দিরাই-শাল্লার মানুষের চলাচলের একমাত্র সড়ক। দিরাই-শাল্লার মানুষ জেলা সদরে এই রাস্তা দিয়েই নিয়মিত চলাচল করেন। তারা আরও জানান, উদগল হাওরে জলাবদ্ধতার পানি বেশি থাকায় ওখানকার কৃষকরাও পানি নামানোর জন্য বাঁধটি কাটতে পারেন। আবার অনেকে বলেন, প্রতিবছরই এসময়ে এসে কিছু দুষ্কৃতিকারী মাছ ধরার উদ্দেশ্যে বাঁধ কেটে দেয়।
কৃষক রেজু মিয়া জানান, এখনও হাওরে আমাদের অনেক ধান কাটার বাকি রয়েছে। বাঁধটি বন্ধ করা না হলে আমরা সমস্যায় পড়তাম। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় আমাদের ফসল রক্ষা পেয়েছে।
বাঁধটি পুনরায় মেরামত করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে জানিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড শাল্লা শাখার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. ওবায়দুল হক বললেন, খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়েছি। বাঁধটি মেরামত করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, সেজন্য আর কোন ধরনের ঝুঁকি নেই বলে জানান তিনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস বললেন, বাঁধটির কাটা অংশ বন্ধ করায় বিশাল ছায়ার হাওরে এখন পর্যন্ত থাকা পাকা ধান রক্ষা পেয়েছে।





.webp)




