শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩

মৌলভীবাজারে ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন অনেক এলাকা

মৌলভীবাজারে ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন অনেক এলাকা

সংগৃহীত

মৌলভীবাজারের বেশ কিছু এলকায় গত বুধবার রাত থেকে ভয়াবহ লোডশেডিং এর প্রভাবে টানা ১৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অনেক এলাকা। একদিকে ঝড় অন্যদিকে লোডশেডিং সব মিলিয়ে জেলায় বিদ্যুতের অবস্থা ভয়াবহ। 

জানা যায়, বুধবার রাত সাড়ে নয়টায় জেলার কমলগঞ্জ, কুলাউড়া, রাজনগর উপজেলার বেশকিছু এলাকায় কালবৈশাখী ঝড় হয়। তবে এই কালবৈশাখী ঝড়ে কোথাও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া না গেলেও এরপর থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। প্রায় ১৬ থেকে ১৮ ঘন্টা পর কোথাও বিদ্যুৎ আসলেও কয়েক মিনিট পর আবার লোডশেডিং শুরু হয়। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন জেলার বিদ্যুৎ গ্রাহকেরা।

সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জেলার কমলগঞ্জ উপজেলা পতনঊষার, শমশেরনগর, কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর, রাজনগর উপজেলার কামারচাক ইউনিয়নসহ বেশকিছু এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ের পাশাপাশি তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন অনেকেই। বিশেষ করে বিদ্যুৎ না থাকায় অনেক পরিবার পানির অভাবে ঘরের রান্নাবান্না করতে হিমশিম খাচ্ছেন। এসব এলাকায় ২০ মিনিট বিদ্যুৎ থাকলে ১ থেকে ২ ঘন্টা লোডশেডিং করা হয়।

মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বলেছে, “সারা জেলায় আমাদের দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে ৫০ মেগাওয়াট। গ্রিড লাইন থেকে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিকে সরবরাহ করা হয় মাত্র ৪৫ শতাংশ। চাহিদার তুলনায় অনেক কম বিদ্যুৎ সরবরাহের কারণে লোডশেডিং বেড়ে গেছে।”

মিজান আহমেদ ও লিপন আহমেদ নামে রাজনগর উপজেলার কামারচাক ইউনিয়নের বাসিন্দা বলেন, গতকাল (বুধবার) সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ নেই আমাদের। আজ (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৪ টার সময় বিদ্যুৎ এলেও ১০ মিনিট পর আবার চলে যায়। একদিকে তীব্র গরম অন্য দিকে লোডশেডিং সব মিলিয়ে কঠিন পরিস্থিতিতে আছি।”

মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী সুজিত কুমার বিশ্বাস বলেন, “কয়েকদিন ধরে লোডশেডিং কিছুটা বেড়েছে। আমরা চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ কম পাচ্ছি। চাহিদার তুলনায় মাত্র ৪৫ শতাংশ বিদ্যুৎ পাচ্ছি আমরা। কবে এই সমস্যার সমাধান হবে এ বিষয়ে এখন কিছু বলতে পারছি না।“

সূত্র: ঢাকা পোষ্ট