সংগৃহীত
পবিত্র ঈদুল ফিতরের লম্বা ছুটি কাটিয়ে পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন শেষে যার যার কর্মস্থলে যোগ দিতে দ্বীপজেলা ভোলা থেকে লঞ্চযোগে ঢাকামুখী মানুষের ঢল নেমেছে। উপচে পড়া যাত্রী নিয়ে নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে যেতে দেখা গেছে বিলাসবহুল লঞ্চগুলোকে।
বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল ৭টার দিকে সদর উপজেলার ইলিশা লঞ্চঘাট গিয়ে দেখা যায়, পরিবারে সঙ্গে ঈদ উদযাপন শেষে ঢাকামুখী এসব যাত্রীদের কারো মুখে হাসি আবার কারো মুখে বেদনার ছাপ। তারপরও জীবিকার তাগিয়ে কর্মস্থলে ফিরছেন তারা।
তবে কোনো লঞ্চে যাত্রীদের থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ মেলেনি। অন্যদিকে লঞ্চকর্তৃপক্ষরা জানিয়েছেন, যাত্রী সেবায় তারা সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন এবং গত দুই দিন ধরে যাত্রীদের চাপ বেড়েছে।
স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে গ্রামে ঈদ উদযাপন শেষে ঢাকামুখী লঞ্চের যাত্রী মো. রাকিব ও হাসনাত বলেন, আমরা বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করি। ঈদের লম্বা ছুটিতে পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন শেষে ঢাকায় রওনা হয়েছি। আজ বুধবার আমাদের কর্মস্থলে উপস্থিত হওয়ার কথা রয়েছে। কিছুটা দেরি হলেও দুপুর নাগাদ কর্মস্থলে উপস্থিত হতে পারব বলে আশা করছি।
পাপিয়া আক্তার ও সাইফুল বলেন, ঈদে আমরা স্বস্তিতেই বাড়ি ফিরেছি এবং স্বস্তিতে ঢাকায় যাচ্ছি। লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছে না। আসলে রাতে নদীতে কালবৈশাখী ঝড়ের আতঙ্কে রাতে না গিয়ে আজ সকালের লঞ্চে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে লঞ্চঘাটে এসেছি। আসলে পরিবারকে ছেড়ে দূরে যেতে কষ্ট হচ্ছে তারপরও জীবন আর জীবিকার তাগিদে যেতে হচ্ছে।
বিআইডব্লিউটিএ এর ভোলা নদী বন্দরের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আমজাদ হোসেন বলেন, ঈদে ঘরে ফেরা যাত্রীদের ফিরতি যাত্রা নিরাপদ করতে আমাদের স্বল্প জনবল নিয়েও সর্বোচ্চ ভাবে কাজ করে যাচ্ছি। জেলার প্রতিটি লঞ্চঘাট থেকে নির্ধারিত সময়ে যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে লঞ্চ ছেড়ে যাচ্ছে।
এদিকে ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের ফিরতি যাত্রা নিরাপদ করার লক্ষ্যে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান গতকাল (২৪ মার্চ) দিনব্যাপী ভোলার গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন লঞ্চঘাট পরিদর্শন করেছেন এবং লঞ্চের যাত্রীদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন তিনি। এছাড়া লঞ্চ কর্তৃপক্ষদের নানা দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
খাইরুল ইসলাম/আরকে
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট










