সংগৃহীত
ইরানকে উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে অবিলম্বে হামলা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের সবচেয়ে প্রভাবশালী সংস্থা নিরাপত্তা পরিষদ। সোমবার এ বিষয়ক একটি রেজল্যুশন পাস হয়েছে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে।
রেজল্যুশনে বলা হয়েছে, “উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলার মাধ্যমে ইরান শুধু হামলা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘনই করছে না, উপরন্তু আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তায় গুরুতর হুমকির সৃষ্টি করেছে। জাতিসংঘ অবিলম্বে সৌদি আরব, বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং জর্ডানের ওপর হামলা বন্ধ করতে ইরানকে আহ্বান জানাচ্ছে।”
গতকাল বুধবার এই রেজল্যুশন উত্থাপনের পর ১৫ সদস্যবিশিষ্ট নিরাপত্তা পরিষদের ১৩টি সদস্যরাষ্ট্র সেটির পক্ষে ভোট দিয়েছে। বাকি ২টি রাষ্ট্র ভোটদান করা থেকে বিরত ছিল।
ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।
তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।
যুদ্ধের প্রথম দিন ২৮ অক্টোবর নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-সহ ইরানের অন্তত ৪০ জন সামরিক ও বেসামরিক শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা। রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে বিমান অভিযান চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল। ইরানের জ্বালানি কাঠামো এবং কয়েকটি জ্বালানি তেলের ডিপো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানের মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলোতে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান।
হামলা চলছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জলপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলো লক্ষ্য করেও। ব্রিটিশ সংস্থা ইউকে মেরিটাইম অপারেশনের তথ্য অনুসারে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত হরমুজ প্রণালীতে ১০টির বেশি তেলবাহী ট্যাংকার জাহাজে হামলা হয়েছে। সম্প্রতি এই প্রণালিতে মাইন বসানো শুরু করেছে ইরান।
সূত্র : এএফপি
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট









