শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১

সোলায়মানের উদ্ভাবনে কৃষকের মুখে হাসি

সোলায়মানের উদ্ভাবনে কৃষকের মুখে হাসি

অভাবে পড়ে মাত্র এগারো বছর বয়সে বাবার সঙ্গে বাইসাইকেল মেকার হিসেবে কাজ শুরু করেন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মোলানী বাজার এলাকার সোলায়মান আলী। পরে বেশ কয়েক বছরের চেষ্টায় সোলারচালিত সেচ পাম্প তৈরিতে সফল হন ২০১৩ সালে। তখন থেকে নিজস্ব জমিতে ও মৎস্য হ্যাচারিতে সেচ দেয়াসহ বাসার প্রতিটি প্রয়োজনে ব্যবহার করেছেন সোলার পাম্প।

নিজের তৈরি সোলারচালিত সেচ পাম্পের চাহিদা বাড়ায় স্থায়ী এবং ভ্রাম্যমাণ সেচব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে অল্প টাকায় নিজে ও অন্য অনেককে দিচ্ছেন সেচ সুবিধা। ফসল উৎপাদনে খরচ কম লাগায় এলাকার মানুষের কাছে সফল উদ্ভাবক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন তিনি।

ডিজেলচালিত শ্যালো দিয়ে সেচ দিলে বিঘাপ্রতি ধান উৎপাদনে ৩-৪ হাজার টাকা গুনতে হলেও সোলার সেচ পাম্পে লাগছে মাত্র অর্ধেক টাকা। উৎপাদন খরচ কমাতে কৃষকরা এ সোলারচালিত সেচ পাম্প ক্রয়ে আগ্রহী হচ্ছেন।
উদ্ভাবক সোলায়মান আলী জানান, সোলারে ভর্তুকি দিলে কৃষকের সাশ্রয় হবে। পাশাপাশি স্বল্পসুদে ঋণ পেলে কৃষিক্ষেত্রে আরও বৃহৎ পরিসরে ভূমিকা রাখা সম্ভব।

এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, তার এমন উদ্যোগ প্রশংসনীয়। বিভিন্নভাবে তাকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। কৃষি বিভাগের তথ্য বলছে, বর্তমানে সোলায়মানের তৈরি ১৫টি সেচ পাম্প দিয়ে এলাকার কৃষকের চাহিদামতো সেচ সুবিধা প্রদানের পাশাপাশি অর্ধশত সেচ পাম্প ও সোলার প্যানেল বিক্রি করেছেন। তার উদ্ভাবনে জেলার প্রায় সাত হাজার কৃষক সোলার পাম্পে সেচ সুবিধা নিচ্ছেন।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

সর্বশেষ: